নয়াদিল্লি : আবহটা শত্রুতার। তবুও সৌজন্য তার জন্য থেমে থাকে না। ভারতের ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। শুক্রবারই ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে শুভেচ্ছা জানান ওলি।

ট্যুইটারে এদিন নেপালের প্রধানমন্ত্রী লেখেন অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজীকে। এরই সাথে শুভেচ্ছা প্রত্যেক ভারতীয়কে, তাঁদের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রইল অভিনন্দন। ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও উন্নয়নের জন্য আগাম শুভেচ্ছা রইল।

ভারত ও নেপালের মধ্যে তিক্ততার সৃষ্টির পর এই প্রথম সৌজন্যবার্তা পাঠালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। ফলে এই বার্তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা আনবে, তা আশা করা হচ্ছে। এদিকে, এদিকে, রাম জন্মভূমি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। রাম জন্মভূমি আযোধ্যয় নয়। নেপালের অযোধ্যাপুরীতেই জন্ম রামের, এমনই দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নেপালের মধ্যেই ওলির এমন দাবিতে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এমনকি নেপালের জানকী মন্দিরের পুরোহিতও ওলির এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। নেপালের পুরোহিত আচার্য দুর্গা প্রসাদ গৌতমকে অযোধ্যার ভূমিপূজনে ডাকা হয়েছিল। তিনিও নেপালের প্রধানমন্ত্রীর এমন দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছেন।

তবে ভারত নেপালকে একাধিকক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কাজে সাহায্য করেছে। দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের পরেও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ইস্যুতে মনোমালিন্য দেখা গিয়েছে ভারত-নেপালের মধ্যে। সীমান্ত নিয়ে চিনের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ থেকে রাম জন্মভূমি নিয়ে বাকবিতণ্ডার পরেও সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে ভারত।

নেপালকে ১০টি ভেন্টিলেটর দিয়ে সাহায্য করেছে ভারত। এইগুলি নেপালের আর্মি স্টাফ জেনারেল প্রধান পূর্ণচন্দ্র থাপাকে হস্তান্তর করেছেন নেপালে উপস্থিত ভারতের দূত বিনয় মোহন কাত্রা। নেপালের সেনা সদর দফতরে ভেন্টিলেটরগুলি তুলে দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরে নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির দিকে গিয়েছে। আর নেপালের নতুন মানচিত্রেই তার সূত্রপাত। ভারতের তিনটি জায়গা নিজেদের মানচিত্রে রেখে বিতর্কের মুখে পড়েছে নেপালের কমিউনিস্ট সরকার। এবার সেই মানচিত্রই ভারতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল।

শুধু ভারতেই নয়, গুগলে ও ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির কাছেও ওই মানচিত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগস্টের মাঝামাঝিতেই মানচিত্র পাঠিয়ে দেওয়া হবে। নেপালের ওই পরিবর্তিত মানচিত্রে জায়গা পেয়েছে ভারতের লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা