প্রতীকি ছবি

পাটনা: ভারতে রাস্তা তৈরির কাজে বাধা দিচ্ছে নেপাল। এমন অভিযোগ সাম্প্রতিককালে আগেও একবার উঠেছে। ফের একবার এরকনই অভিযোগ উঠল বিহারে।

বিহার প্রশাসনের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, সীমান্তের কাছে একটি রাস্তা সারানোর কাজ চলছে। আর তা নিয়েই আপত্তি জানিয়েছে নেপাল। নেপালের এমন ব্যবহারে রীতিমত চমকে গিয়েছে বিহার প্রশাসন।

বিহারে সীতামারি-ভিটামোর রোডের কাজ চলছিল। বিহারের সীতামারি জেলায় অবস্থিত ওই রাস্তা। সেই কাজ আচমকা থামিয়ে দিতে বলে নেপাল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিকারিক জানিয়েছেন, সীমান্তের কাছাকাছি ওই রাস্তা। সেই রাস্তা চওড়া করতে আপত্তি জানিয়েছে নেপাল। বিহারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে এই সমস্যা সমাধানের আর্জি জানানো হয়েছে।

কিছুদিন আগেই অভিযোগ ওঠে, বন্যা রুখতে বিহার সরকারের বেশ কয়েকটি কাজে বাধা দিচ্ছে নেপাল। এবিষয়ে বিদেশমন্ত্রককে পদক্ষেপ করতে আবেদন জানানো হয়।

লাদাখে চিনা আগ্রাসনের পর থেকেই দেশজুড়ে পড়শি দেশ থেকে আমদানি করা সব দ্রব্য বয়কটের ডাক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপালের ভূমিকা নিয়েও এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই ভারতের বেশ কয়েকটি এলাকা নিজেদের মানচিত্রে তুলে এনেছে নেপাল। কাঠমান্ডুর দাবি, ওই এলাকাগুলি নাকি নেপালেরই অংশ। এমনকী নেপাল সংসদে তাঁদের নয়া মানচিত্র পাস করিয়েও নেওয়া হয়েছে। যদিও নেপালের এই দাবিতে আমল দেয়নি ভারত।

তবে বিহারের এক মন্ত্রী নেপাল নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। বিহারের গা ঘেঁষেই রয়েছে নেপা সীমান্ত। বর্ষা শুরুর আগে থেকেই বিহার সরকারের তরফে সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বন্যা রুখতে বেশ কিছু কাজ চলছে।

বিহারের ওই মন্ত্রীর দাবি বিহার সরকারের উদ্যোগে চলা সেই কাজে প্রতি মুহূর্তে বাধা দিচ্ছে নেপাল। যার জেরে বন্যা রোধে নেওয়া ওই প্রকল্পের কাজ চালাতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে।

নেপালের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন বিহারের ওই মন্ত্রী। এমনকী এবিষয়ে বিদেশমন্ত্রকের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি। যদিও বিহার সরকারের তরফে এবিষয়ে স্পষ্ট কোনও অভিযোগ এখনও মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।