কাঠমাণ্ডু: ঋতুস্রাবের সময় ‘অশুদ্ধ’ মহিলারা। তাই বাড়ির বাইরে কুঁড়ে ঘরে রাখা হয় তাঁদের। নেপালের হিন্দু পরিবারগুলিতে এটাই দীর্ঘদিনের রীতি। আর সেই রীতির জেরে প্রাণ হারালেন এক মহিলা। ঘটনায় মহিলার আত্মীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারণ এই রীতি অবৈধ।

পার্বতী বুদা রাওয়াত নামে ২১ বছরের মহিলার মৃত্যু হয়েছে কুঁড়ে ঘরে। প্রবল ঠাণ্ডা সেই ঘরে একটু উষ্ণতার জন্য আগুন জ্বালিয়েচিলেন তিনি। আর সেই ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই মহিলার। এই মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর আত্মীয়কে তিন মাসের জেল ও তিন আজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।

নেপালের গ্রামাঞ্চলে বিশ্বাস করা হয়, ঋতুস্রাবের সময় ও সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একজন মহিলা অশুদ্ধ। ওই সময় কোনও পুরুষকে ছোঁয়া যায় না, কিছু কিছু খাবারে হাত দেওয়া যায় না, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়া যায় না।

এই নিয়ে এবছর একইভাবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের কামড়ে এক নাবালিকার মৃত্যু হয়। ২০০৫-এ এই প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৭-এ এই প্রথা অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু তা সত্বেও গ্রামাঞ্চলে এই প্রথমা প্রচলিত আছে।

এবার পুলিশ তৎপর হয়েছে দেখে খুশি বিভিন্ন মহল। ক্রমশ এই প্রথমা বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।