ফাইল ছবি

কাঠমান্ডু: নেপালের অন্দরেই এবার চিনের বিরুদ্ধে জাগছে ক্ষোভ। বুধবারে ঘটল যেন তারই বহিঃপ্রকাশ। দেশের মাটিতে চিনা নির্মানের অভিযোগে সরব হল নেপালের একটি সিভিল সোসাইটি গ্রূপ।

রিপোর্ট অনুযায়ী, নেপালের ওই সিভিল সোসাইটি গ্রূপ হুমলা জেলায় চিনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। অন্যদিকে চিনের দাবি, ওই নির্মান তাঁদের নিজেদের এলাকার মধ্যেই হয়েছে।

দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীরা, “নেপালের মাটি ফিরিয়ে দাও’ বলেও ধ্বনি দিতে থাকেন। একই সঙ্গে “চিনা সম্প্রসারণবাদ রুখে দাও” বলে ধ্বনি দেওয়ার কথা প্রকাশ পেয়েছে রিপোর্টে।

আরও পড়ুন- বরফের পাহাড়ে ধাক্কা না, টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পিছনে নাকি রয়েছে আরও বড় রহস্য

মিডিয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে, হুমলা জেলার কাছেই ১১ টি নির্মাণ করে চিনা সেনা। এতেই ক্ষুধ্ব হয়ে সরব হয় নেপালের একটি সিভিল সোসাইটি গ্রূপ। তবে চিনের দাবি এই নির্মাণ তাঁরা নিজেদের এলাকার মধ্যেই করেছে।

অন্যদিকে মঙ্গলবার ভারত-চিন বৈঠক শেষে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বিদেশমন্ত্রক। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর ভারত ও চিনের কমান্ডারদের মধ্যে ষষ্ঠ রাউন্ড বৈঠক শেষ হল। দুই দেশের তরফে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই দেশই লাদাখের ফ্রন্টাকাইনে অতিরিক্ত সেনা পাঠানো থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, শীঘ্রই সপ্তম রাউন্ডের বৈঠক হবে ভারত-চিনের মধ্যে। পাশাপাশি ভারত ও চিন দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।