কাঠমাণ্ডু: চিনকে একগুচ্ছ বিমান আনা হয়েছিল নেপালে। বাংলাদেশ সেগুলিকে ‘আনফিট’ বলে বাতিল করেছিল। কিন্তু, নেপাল সেগুলো কিনতে রাজি হয়ে যায়। এবার সেইসব চিনা বিমানকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে নেপাল।

পড়ুন আরও- ওড়ার যোগ্য, চিন থেকে কেনা এয়ারক্রাফটের ধাক্কায় ২০০ কোটির ক্ষতি নেপালের

বছর আটেক আগে চিনের সঙ্গে ডিল হয় নেপালের। আর বছর ছয়েক আগে ৬টি চিনা এয়ারক্রাফট যোগ দেয় নেপালের ফ্লিটে। সেগুলি এবার মাটিতেই বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিল নেপাল। অর্থাৎ আর আকাশে ওড়ানো হবে না ওই সব চিনা এয়ারক্রাফট।

পড়ুন আরও- সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল সচিন: বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

১৭ সিটের Y12e ও ৫৬ সিটের MA60 আর না ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৬ জুলাই থেকে আর ওড়ানো হবে না সেগুলি। নেপাল এয়ারলাইনস কর্পোরেশনের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Y12e এয়ারক্রাফট আর ভালোভাবে ল্যান্ডিং করতে পারছে না। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাস তিনেক আগে নেপালগঞ্জ এয়ারপোর্ট ওই বিমান ল্যান্ড করতে অসুবিধা হয়। ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নেপাল খরচ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এই বিমানগুলি ওড়ানো ও বীমার খরচে প্রায় ২০০ কোটির ক্ষতির মুখ দেখেছে নেপাল।

জানা গিয়েছে, কয়েকটি এয়ারক্রাফট বিনামূল্যে পাওয়ার জন্য কয়েকটি এয়ারক্রাফট কিনতে হবে, চিনের সঙ্গে এমনই চুক্তি হয়েছিল নেপালের।

২০১৪-তে প্রথম এই বিমানগুলি নেপালে আসে। তার আগে চুক্তির সময় চিনে এগুলি পর্যবেক্ষণ করতে নেপাল ও বাংলাদেশ থেকে দুটি টিম যায়। বাংলাদেশ এগুলি কেনার চুক্তি বাতিল করে দেয়। কিন্তু নেপাল কিনে নিয়েছিল।

নেপালে এই ধরনের এয়ারক্রাফট ওড়ানোর উপযুক্ত পাইলটের অভাব রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর নেপালের জন্য এগুলি উপযুক্ত ছিল না বলেও মনে করেন বহু বিশেষজ্ঞ। উল্টেব এর জন্য অনেক খরচ হয়ে যায় নেপালের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ