নয়াদিল্লি:  গত কয়েকদিন আগেই নতুন মানচিত্র সামনে এনেছে নেপাল। যার মধ্যে ভারতের তিনটি অংশকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা কোনও দিন নেপালের ছিলই না, সেই সমস্ত জায়গাগুলিকে নেপাল নিজেদের বলে দাবি করছে।

যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই উত্তরাখণ্ড সীমান্তে চারটে নতুন বর্ডার আউটপোস্ট বানাল নেপাল। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে দিল্লি। যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে কিছু জানানো হয়নি এই বিষয়ে।

অন্যদিকে, সবথেকে চিন্তার কারণ হচ্ছে, সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে যে, নেপালের সাতটি জেলায় চিনা সৈন্যর অবাধ যাতায়াত শুরু হয়েছে। প্রায় ৩৩ হেক্টর এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে পিএলএ। এমনটাই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে, গত দু’বছর ধরে ধীরে ধীরে ওই গ্রাম দখল করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

এমনকী দখল নেওয়া এলাকার ভিতরে রাস্তা বানানোও শুরু করে দিয়েছে চিন। এমন তথ্যও হাতে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে নেপালের গা ঘেঁষে চিন বর্ডার আউটপোস্ট তৈরি করতে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে।

নেপালের কৃষি মন্ত্রকের সার্ভে ডিপার্টমেন্ট থেকে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে অন্তত ১০ টি জায়গায় একট একটু করে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছে চিন, যাতে মোট ৩৩ হেক্টর জমি দখলের প্রচেষ্টা চলছে। এমনকি সেখানেও চিন নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে দিয়ে জমি দখল করার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে নেপাল।

নেপালের হুমলা জেলায় বাগদারে খোলা নদী ও কারনালি নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে অন্তত ১০ হেক্টর জমিতে দখলদারি চালাচছে চিন। এছাড়া রাসুয়া জেলায় ৬ হেক্টর জমির উওর এই দখলদারির প্রচেষ্টা চলছে।

রিপোর্ট বলছে, তিব্বতের দিকে চিন রাস্তা তৈরি করছে। যার নদীগুলি গতিপথ ঘুরিয়ে নেপালের দিকে বইতে শুরু করেছে। ফলে নেপালের অনেক জমি কমে যাচ্ছে ওই সব অঞ্চলে। এইভাবে চলতে থাকলে নেপালের বেশিরভাগ জমিই তিব্বতের দিকে চলে যাবে বলে আশঙ্কা।

তবে, ভারতের হাতে যে গোয়েন্দা তথ্য এসেছে গত মঙ্গলবার নেপালের স্বশস্ত্র পুলিশ ফোর্সের ডিআইজি হরি শঙ্কর বুধাথোকি উত্তরাখণ্ড সীমান্তের ওপারে থাকা জুলজিবি, লালি, ডুমলিঙ্গ ও পাঞ্চেশ্বর এলাকায় চারটি বর্ডার আউট পোস্টের উদ্বোধন করেছেন। তারপর থেকে ওই এলাকায় তৎপরতা বেড়েছে নেপালের সেনাবাহিনীর। যা যথেষ্ট চিন্তার কারণ ভারতের কাছে। যদিও পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ভারত।

প্রসঙ্গত, কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ এই তিনটি অংশকে নিজেদের বলে দাবি করে নয়া মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপাল সরকার।

আগেই জাতীয় আইনসভায় এই বিষয়ে সর্ব সম্মতভাবে প্রস্তাব পাশ করে নেপাল সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ