ব্যাংকক: মঙ্গলবার সকালেই তাঁর করোনা আক্রান্তের খবরে শোরগোল পড়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে৷ যদিও রাতে সেই রিপোর্ট ভুল ছিল বলে জানিয়েছিল ওয়ার্ল্ড ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন৷ বুধবার কোর্টে নেমে সহজেই থাইল্যান্ড ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছলেন সাইনা নেহওয়াল৷

তৃতীয় রাউন্ডের বাধ্যতামূলক কোভিড টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে সাইনার৷ ফল কোর্টে নামা সম্ভব হচ্ছে লন্ডন অলিম্পিকে পদকজযয়ী এই ভারতীয় তারকার৷ তাঁকে আগামী ১০ দিন হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে৷ সুতরাং টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে তাঁকে৷

মঙ্গলবার সকালে বিডব্লিউএফ এবং থাইল্যান্ড ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছিল চার জন খেলোয়াড়ের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এঁরা হলেন ভারতের সাইনাল নেহওয়াল ও এইচএস প্রণয়, জার্মানির জোনস জানসেন এবং মিশরের অ্যাডহাম হাতেম৷ কিন্তু রাতে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছিল সাইনার কোভিড রিপোর্ট ভুল ছিল৷

ফলে বুধবার কোর্টে নামেন সাইনা৷ প্রথম রাউন্ডে স্ট্রেট সেটে মালয়েশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী কিসোনা সেলভাদুরেকে স্ট্রেট গেমে (২১-১৫,২১-১৫) উড়িয়ে দিয়ে মহিলা সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেন সাইনা৷ ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রাখেন সাইনা৷ প্রথম ব্রেকে ১১-৫ এগিয়ে যান ভারতীয় তারকা৷ তারপর থেকে অবশ্য আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি৷ ২১-১৫ প্রথম গেম জিতে নেন সাইনা৷

দ্বিতীয় গেমেও মেজাজ ধরে রাখেন লন্ডন অলিম্পিকে পদকজয়ী ভারতীয় খেলোয়াড়৷ প্রথম গেমের মতোই দ্বিতীয় গেমেও প্রথম ব্রেকে ১১-৫ এগিয়ে যান৷ সেখান থেকে ২১-১৫ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে ম্যাচ পকেটে পুরেন সাইনা৷ মঙ্গলবার প্রথম রাউন্ডের পিভি সিন্ধু ছিটকে যাওয়ায় থাইল্যান্ড ওপেনে মহিলা সিঙ্গলসে ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি হলেন সাইনা৷

এদিন পুরুষ সিঙ্গলসে প্রাক্তন বিশ্বের এক নম্বর কিদাম্বী শ্রীকান্ত স্বদেশীয় সৌরভ ভার্মাকে স্ট্রেট গেমে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠেন৷ প্রথম গেমে টানা ৯ পয়েন্ট নেন শ্রীকান্ত৷ সেই সঙ্গে ২১-১২ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন তিনি৷ দ্বিতীয় গেমেও দারুণ খেলেন শ্রীকান্ত৷ টানা ১০ পয়েন্ট নিয়ে ২১-১১ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।