নয়াদিল্লি: দেশে নতুন করে দেখা দিয়েছে করোনা সংক্রমণ। বেশ কিছু রাজ্যে ফের বাড়ছে সংক্রমণের হার। কেরল ও মহারাষ্ট্রে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। এমতাবস্থায় দিল্লিতে প্রবেশ করতে গেলে কোভিড-১৯ নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে দিল্লি সরকার। শুক্রবার থেকেই চালু হচ্ছে এই নিয়ম।

মহারাষ্ট্র, কেরল, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং পঞ্জাব থেকে যে সমস্ত ব্যক্তিরা আসছেন তাঁদের দিল্লি প্রবেশের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। আপাতত ১৫ মার্চ অবধি এই নিয়ম জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ম্যানহোলে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু, প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের সুরক্ষা ভাবনা নিয়ে

প্লেন, ট্রেন বা বাসে যে সব যাত্রীরা ওই পাঁচ রাজ্য থেকে আসছে তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হচ্ছে। তাঁর কারণ, বিগত এক সপ্তাহ ধরে যত সংখ্যক করোনা কেস সামনে এসেছে তার মধ্যে ৮৬ শতাংশই বাইরের রাজ্য থেকে আসা।

কোভিড ১৯ নেগেটিভ রিপোর্ট ওই রাজ্যগুলির নোডাল অফিসারদের পরীক্ষা করতেও বলা হয়েছে। রিপোর্ট হতে হবে দিল্লি প্রবেশের ৭২ ঘন্টা আগের সময়সীমার মধ্যে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২২০ জন। যা কিনা চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যে সর্বোচ্চ। ফলে এই মুহূর্তে কোনও ফাঁকফোকর রাখতে চাইছে না প্রশাসন। যদিও এদিন নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি।

আরও পড়ুন – বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী, অভিনব সুযোগ দিচ্ছে আয়ারল্যান্ড সরকার

ভারতে যে সব রাজ্যে করোনা সর্বাত্মক প্রভাব ফেলেছে মহারাষ্ট্র তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়া পঞ্জাব ও কেরলেও সংখ্যা চিন্তায় রেখেছে। ফলে আশঙ্কা একটা থাকছেই ।

অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ -এর পরিস্থিতিতে দেশের দশ রাজ্যে পাঠানো হবে কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ টিম। দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের যে ১০টি রাজ্যে কেন্দ্রীয় টিম মোতায়েন করা হবে সেগুলি হল, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, কেরল, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, পঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিল নাড়ু, জম্মু ও কাশ্মীর। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে এই রাজ্যগুলিতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার, যা বেশ উদ্বেগের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।