মুম্বই: সব ঠিকঠাক চললে তাঁরই পুত্রবধূ হতেন দীপিকা পাড়ুকোন৷ কিন্তু বিধি বাম৷ ছেলে রণবীর ঝুঁকেছেন ক্যাটরিনার দিকে৷ কিন্তু তাতে কী৷ ছেলের প্রাক্তন প্রেমিকা হলেও অভিনেতা দীপিকাকে প্রশংসাতেই ভরিয়ে দিচ্ছেন নীতু সিং৷ জানাচ্ছেন, বিগত কয়েকবছরে অভিনেতা হিসেবে নিজেকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছেন দীপিকা৷

সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘনালেও একসঙ্গে কাজে কোনও খামতি নেই দীপিকা-রণবীরের৷ ব্রেক আপের পর তাঁদের ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছিল সুপারহিট৷ আবার তাঁরা একসঙ্গে ‘তামাশা’ ছবিতে৷ কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে সে ছবির ট্রেলর৷ সে ট্রেলরেই মুগ্ধ হয়েছেন নীতু৷ জানিয়েছেন, পরদায় রণবীর ও দীপিকাকে অসাধারণ লেগেছে তাঁর৷ তাঁদের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রিতে একরকম বোল্ডই হয়েছেন নীতু৷ আর মুগ্ধ হয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনয়ে৷ ট্রেলরের ঝলক  দেখেই তাঁর মন্তব্য, অভিনেতা হিসেবে নিজেকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছেন দীপিকা৷

তবে ক্যাটরিনা না দীপিকা, কাকে অনস্ক্রিন বেশি মানায় ছেলে রণবীরের সঙ্গে সে প্রশ্নের উত্তর মজা করে উড়িয়ে দিয়েছেন নীতুজি৷ জানিয়েছেন, ঋষি কাপুর আর নীতু সিংয়ের জুড়িই তাঁর চোখে সেরা৷ এও এক তামাশাই বটে৷

বিনোদনের আরও খবর:

 

 অভিনেতা হিসেবে অঙ্ক কষে এগোননি ঐশ্বর্য

শশী কাপুরের লাইফটাইমের মঞ্চে সেরা ‘ছোটদের ছবি’

‘রাজকাহিনী’ আর বেগম জানে মুগ্ধ মহেশ ভাট

বিগ বি-এর সুরে দুলবে ড্রয়িংরুম

ইরফান-অ্যাশের ‘জজবা’ রোম্যান্স

পুজোর কথায় ‘মিশর কন্যা’ ত্রিধা

শুভশ্রীকে নিয়ে শুরু প্রযোজক দেবের নয়া ইনিংস

দিল্লিতে বাংলা সিনেমা পৌঁছে দিতে উদ্যোগী প্রসেনজিৎ

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।