নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য দেশে ইতিমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কোভিডের কারণে স্থগিত করা হয়েছে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষা। রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রের সিবিএসই পরীক্ষার বোর্ড পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে কোভিড মহামারী পরিস্থিতিতে। আর এবার সেই একই পথে হেটে কেন্দ্র সরকার স্থগিত করলো দেশের ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী অফিস (পিএমও) দফতর থেকে জানানো হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতির কারণে চারমাস স্থগিত করা হয়েছে জাতীয় যোগ্যতা কাম প্রবেশিকা পরীক্ষা স্নাতকোত্তর (নিট-পিজি)। চলতি বছরের ৩১ আগস্টের আগে নেওয়া হবে না নিট-পিজি প্রবেশিকা পরীক্ষাটি। এর পাশাপাশি ছাত্রদের নিট স্নাতকোত্তর প্রবেশিকার প্রস্তুতির জন্য ১ মাস আগে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে কেন্দ্র সরকারের তরফে। কেন্দ্র ডাক্তারি স্নাতকোত্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা স্থগিত রাখালেও কোভিড মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দেশে চিকিৎসা কর্মীদের প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্তৃক অনুমোদিত বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের যুক্ত করছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যেমন বাড়ছে সংকটজনক রোগীর সংখ্যা, ঠিক তেমন ভাবে কমছে হাসপাতালের বেড সংখ্যা। ভাইরাসের কোপে একপ্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলা যেতে পারে। এই কারণে দিল্লি আরবিন্দ কেজরিয়াল রাজ্যের সমস্ত ডাক্তারি পরিষবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের করোনা চিকিৎসায় নিযুক্ত হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। দিল্লির পরে এবার কেন্দ্র সরকার এই মহামারীর সঙ্গে লড়াই করার জন্য দেশের সমস্ত এমবিবিএস ডাক্তারদের করোনা চিকিৎসায় ব্যবহার করতে চলেছে। পিএমও অফিস ভারতের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকারগুলিকে কোভিড পরিচালনার জন্য এমবিবিএস ডাক্তার ব্যবহার করতে বলেছে।

এর পাশাপাশি পিএমও অফিসের তরফে আরও উল্লেখ করে বলা হয়েছে, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারদের নিট প্রার্থীদের কোভিড ১৯ কাজে যোগদান করার জন্য আনুরোধ জানাতে হবে। তার কারণ কোভিড-১৯ পরিচালনা করার জন্য এই সমস্ত এমবিবিএস ডাক্তারদের ব্যবহার করা যেতে পারে। অন্যদিকে এমবিবিএস ডাক্তারদের সঙ্গে চূড়ান্ত বর্ষের এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের এই পরিস্থিতিতে কোভিডে সংকটজনক রোগী ছাড়া বাকিদের টেলিকন্সুলেশন এবং পর্যবেক্ষণের মতো সেবা সরবরাহের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও জানানো হয়। ১০০ দিনের কোভিড ডিউটি দেওয়া মেডিকেল কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর কোভিড জাতীয় পরিষেবা সম্মান দেওয়ার সঙ্গে সরকারী নিয়োগে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.