কলকাতা : সম্পর্কটা দীর্ঘদিনের। এবার সেই সম্পর্ককে আইনী স্বীকৃতি দিতে চলেছেন ছোটোপর্দার হার্টথ্রব নীল ভট্টাচার্য। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তথা টেলি অভিনেত্রী তৃণা সাহার সঙ্গে ২০২১-এ বিয়েটা সেরে ফেলতে চাইছেন তিনি। আর যা নিয়ে টলিপাড়ায় শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। তাহলে কী সত্যিই বিয়ে করে ফেলছে নীল-তৃণা জুটি?

আপাতত টলিপাড়ার আনাচে কানাচে কান পাতলেই এমনটাই শোনা যাচ্ছে। তবে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে আগামী বছর নিজেদের বিয়ের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন নীল-তৃণা।
এই বিষয়ে নেটিজেনদের ক্রাশ নীল এবং তৃণা দুজনেই জানিয়েছেন, লুকোচুপি নয় বরং সকলকে আগাম জানিয়েই আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করতে চলেছেন তাঁরা। ঠিক হয়ে গিয়েছে বিয়ের তারিখ এবং ওয়েডিং ডেস্টিনেশনও।

এই বিষয়ে অভিনেত্রী তৃণা সাহা জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখ সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন তাঁরা। জমকালো এই বিয়ের আসর বসবে সিটি ক্লাবে। যদিও রিস্পেশন হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন। শুধু তাই নয়, বিয়ের পর এই তারকা জুটির মধুচন্দ্রিমার গন্তব্য হতে চলেছে ড্রিম ডেস্টিনেশন গ্রীস।

‘ঠিক যেন লাভ স্টোরি’, হোক কিংবা ‘কৃষ্ণকলির’ নিখিল, ছোটোপর্দার নায়ক হিসেবে নীলের জনপ্রিয়তা রয়েছে সব বয়সী দর্শকদের কাছে। বাঙালী মেয়েদের ক্রাশও বলা যেতে পারে তাঁকে। যদিও প্রেমিক নীলের মতো নেট এবং সিরিয়ালের দুনিয়ায় সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে অভিনেত্রী তৃণা সাহারও। খোকাবাবু, কলের বউ বা খড়কুটোর মতো একের পর এক ধারাবাহিকে তাঁর অসামান্য অভিনয়, দক্ষতা চ্যানেল গুলির টিআরপি বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুন।

শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়া তথা ইনস্টাগ্রামের মিলিয়ন ফলোয়ারের তালিকায় ঢুকতে চলেছে তৃণার নাম। নয়শো হাজার সাবস্ক্রাইবার হিট করেছেন তৃণা। আর প্রায় এক লক্ষ ফলোয়ার পেলেই এক মিলিয়ন ফলোয়ার পেয়ে যাবেন তৃণা সাহা।

বাংলার ছোটপর্দার অর্থাৎ টেলি দুনিয়ার কোনও অভিনেত্রীর এমন জনপ্রিয়তা সচরাচর দেখা যায় না। সেখানেই তৃণা একেবারেই ব্যতিক্রমীদের মধ্যে পড়ছেন। বাংলা টেলি জগতে খুব বেশিদিন কাজ করছেন না, তবুও জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে তিনি শীর্ষে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের বান্ধবীর তকমা ঘুচে খুব শীঘ্রই নীলের সহধর্মিণী হতে চলেছেন তৃণা সাহা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।