স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: জলপাইগুড়ি, রায়গঞ্জ ও দার্জিলিং রাজ্য এই তিন লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। পাশাপাশি চলছে এই কেন্দ্রগুলির বিভিন্ন বুথে ভোটারদের আটকানো এবং সংবাদমাধ্যমকে মারধোর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ছে রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা হারিয়েছেন বেশ কিছু বুথের ভোটাররা। তাদের স্পস্ট দাবী কেন্দ্রীয় বাহিনী চাই। একই সুরে রাজ্যের সমস্ত বুথের কেন্দ্রীয়বাহিনী দাবি করলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এবং বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু।

কলকাতা২৪x৭-কে সায়ন্তন বলেন, রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে আমরা দেখেছিলাম কোচবিহারের পরিস্থিতি। কিভাবে সকাল থেকেই শাসক দল উঠে পড়ে লেগেছিল ভোট লুঠ করতে। দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণের প্রথম ঘন্টা থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা মানুষকে ভোট দিতে আটকাতে। অনেক জায়গাতে রাজ্য পুলিশ নীরব দর্শক। মানুষ রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা হারিয়েছেন। রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকাতে কেন্দ্রীয়বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে এটা নির্বাচন কমিশনকে বুঝতে হবে।

প্রসঙ্গত রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ভোটে রায়গঞ্জের হেমতাবাদের মহজমপুরে, মালবাজার, গোয়ালপোখরা, দার্জালিং কেন্দ্রের চোপড়ার সহ একাধিক জায়গাতে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বুধের সাধারণ ভোটাররা৷ কেন্দ্রীয়বাহিনীর দাবিতে ৩৮ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছে৷

একাধিক জায়গাতে সংবাদমাধ্যমকে সাধারণ মানুষরা জানিয়েছেন, ‘‘এই বুথে শুধু রাজ্যে পুলিশ রয়েছে আমরা ওদের বিশ্বাস করি না৷ ওরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে৷ কেন্দ্রবাহিনী না এলে আমরা এই বুথে ভোট শুরু হতে দেব না৷’’