Arabian Sea

মুম্বাইঃ গতকাল ভারতের পশ্চিম উপকূলবর্তী অঞ্চলে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় তউকতে (Tauktae)। পাশাপাশি এটি আরব সাগরের উপর অবস্থান করেছিল। ক্রমশই শক্তি বাড়াচ্ছিল তউকতে। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, আরব সাগরের উপর বিধ্বংসী এই ঝোড়ো হাওয়ার বেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার। প্রায় ছয় ঘন্টা আরব সাগরের উপর তান্ডব দেখিয়ে উপকুলে যখন আছড়ে পড়েছিল তখন প্রায় ১৮০ থেকে ১৯০ কিমি গতিবেগ ছিল। তারপর ১২ ঘন্টার মধ্যে মহারাষ্ট্র উপকূলে প্রবল জলোচ্ছাস দেখা দিয়েছিল। এই সাইক্লোনের চক্ষু তখন ছিল মুম্বইয়ের পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম প্রান্ত থেকে প্রায় ১৪২ কিলোমিটার এবং দিউ থেকে ১৮২কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে।

মুম্বাইয়ে জাহাজডুবিঃ

ঘূর্ণিঝড় তউকতের দাপটে বড়সড় বিপদে মুম্বই (Mumbai) উপকূলের একটি বার্জ। ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কায় আরব সাগরেই উল্টে গিয়েছে ‘বার্জ পি ৩০৫’ নামের ওই জাহাজটি। জানা গিয়েছে ওই জাহাজে ২৭৩ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৮২ জনকে। এখনও নিখোঁজ ৮০। এদিকে, গাল কনস্ট্রাক্টর এবং এসএস -৩ -তে নামে আরও দুটি জাহাজ থেকে মোট ৩৩৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, সোমবার নৌবাহিনী, হেলিকপ্টার, টগ নৌকা এবং উদ্ধার জাহাজকে মুম্বাই উপকূলের উঁচু সমুদ্রের বিভিন্ন বাঁধে আটকে থাকা ৫০০ জনেরও বেশি লোককেও উদ্ধার কড়া হয়েছে।

মুম্বাইয়ে গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ার কাছে প্রাচীর, ফুটপথ ক্ষতিগ্রস্থঃ

জানা গিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তউকতের তাণ্ডবে এখানে আইকনিক গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ার কাছে একটি সমুদ্রমুখী সুরক্ষা প্রাচীর এবং লোহার গেট ক্ষতিগ্রস্থ করেছে এবং এর আশেপাশের কয়েকটি ফুটপথও ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সোমবার মুম্বাই উপকূলের পাশ দিয়ে ঘূর্ণিঝড় যাওয়ার কারণে আরব সাগরের বিশাল জোয়ারের ঢেউ স্মৃতিস্তম্ভের উপরে আবর্জনার স্তূপ নিক্ষেপ করেছে।

উল্লেখ্য, প্রবল শক্তি নিয়ে গুজরাটের (Gujrat) স্থলভাগে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় তউকতে (Tauktae)। সোমবার সন্ধ্যায় তউকতের দাপটে তছনছ হয়ে যায় গুজরাটের উপকূল। ভারতের পশ্চিম উপকূলের অন্যান্য রাজ্য়েও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সোমবার রাতে দিউয়ের পূর্ব উপকূল দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করে। ঝড়ের বেগ ছিল খুব তীব্র। পাশাপাশি উপকূল অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতও হয়।

এছাড়াও গুজরাটে এই ঝড়ের তাণ্ডবে প্রাণ হারালেন ৩ জন, মহারাষ্ট্রে ১২ জন এবং কর্ণাটকে ৮ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.