মুম্বই: একা করোনায় রক্ষে নেই দোসর বার্ড ফ্লু। মহারাষ্ট্রে আরও পাঁচশোর কাছাকাছি পাখির মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগে রয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। বুধবার সেরাজ্যে আরও ৪৮১ পাখির মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃত পাখির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

করোনাকালে দেশজুড়ে বার্ড ফ্লু নিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বার্ড ফ্লু আতঙ্কের জেরে একাধিক রাজ্যে মুরগির মাংস, ডিমের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। মাহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত সাম্প্রতিক সমযের মধ্যে ২,৩৯৫টি পাখি মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে। তবে পাখিদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে প্রযোজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

মাহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জেলা প্রশাসনকে রাজ্য সরকারের শীর্ষ স্তর থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। মৃত পাখিদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে ভোপালের আইসিএআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই-সিকিওরিটি অ্যানিম্যাল ডিজিজেজ-এ।

মহারাষ্ট্রে বার্ড ফ্লু ক্রমেই ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। মুম্বই, থানে, রত্নগিরি, বিদ, লাতুর-সহ একাধিক এলাকায় পাখি মৃত্যুর খবর মিলছে। বার্ড ফ্লু যাতে ছড়িয়ে না যায় তার জন্য একাধিক পোলট্রিতে মুরগিগুলিকে পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আরও বহু মুরগীকে পৃথকীকরণ করার চেষ্টা চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বার্ড ফ্লু একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-এ ভাইরাসের কারণে ছড়িয়ে পড়ে। একে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাও বলা হয়। হু-এর একটি রিপোর্ট বলছে H5N1 সংক্রামিত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এই রোগে মৃত্যুর হার করোনার ভাইরাসের চেয়ে বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।