নয়াদিল্লি: নিউ নর্মালেও সংক্রমের ঊর্ধ্বগতি দেশজুড়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে প্রায় ১৫ হাজার জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একইসঙ্গে বেড়ে গিয়েছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাও। দেশের মধ্যে তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রেই করোনার বেড়ে চলা সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংক্রমণে লাগাম টানতে ওই দুই রাজ্যে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ জারি হয়েছে। তবুও সংক্রমণে বেড়ি পড়ানো যাচ্ছে না।

দুই রাজ্যের সংক্রমণ এখন গোটা দেশের কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতে করোনার মাত্রাছাড়া সংক্রমণে রীতিমতো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী তামিলনাডুতে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৭৮। যার মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৭৯। ইতিমধ্যে সেরাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১২ হাজার ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় তামিলনাড়ুতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন জারি হয়েছে।

এরই পাশাপাশি করোনা চোখ রাঙাচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। দেশের মধ্যে শুরু থেকেই করোনার সর্বাধিক সংক্রমিত রাজ্য ছিল মহারাষ্ট্র। নিউ নর্মালেও সেরাজ্যে সংক্রমণ মাত্রা ছাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বুধবার সকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৩৩০। সেরাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ হাজার ২৩৮।

মূলত এই দুই রাজ্যই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪ হাজার ৯৮৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ১১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫১৬। করোনায় দেশে এখনও পর্যন্ত মোট ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ রুখতে এখনও কড়া কোনও পদক্ষেপ না করলে আরও বড় খেসারত চোকাতে হতে পারে দেশের অনেক রাজ্যকেই। এক্ষেত্রে টিকাকরণ অভিযানে আরও জোর দিতে পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে করোনার প্রথম পর্বের টিকাকরণ শুরু হয়। এরপর গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযান। টিকাকরণের এই পর্বে ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক ও ৪৫ বছরের উপরের বয়সী যাদের কোমর্বডিটি রয়েছে তাঁদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।