কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড কলকাতা৷ হাজার হাজার গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে৷ এবার সেই বন্ধ রাস্তা খুলতে কাজ করবে এনডিআরএফ৷ জানালেন কলকাতা পুরসভা প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম৷

কলকাতার এই মূহুর্তে যা অবস্থা,তাতে কবে স্বাভাবিক হবে,দিন গুনছেন কলকাতাবাসী৷ এমনকি কিছু কিছু জায়গায় জল ও বিদ্যুতের দাবিতে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ৷

এই পরিস্থিতিতে পুরসভা প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন,আগামী ৭ দিনের মধ্যে কলকাতাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা৷ বন্ধ রাস্তা খুলতে কাজ করবে এনডিআরএফ৷

এছাড়া তিনি আরও জানালেন,ঘূর্ণিঝড়ে কলকাতায় সাড়ে ৫ হাজার গাছ উপড়ে গিয়েছে৷ আড়াই হাজার বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত৷ ভেঙ্গে পড়া বাতিস্তম্ভ সরিয়ে দেওয়া হবে৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করবে বিদ্যুৎ নিগম৷

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কেবল পরিষেবা চালু করতে বলা ছোট পাম্পিং ষ্টেশন চালু করবে সিইএসসি৷ খিদিরপুর ,মোমিনপুর,সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ছাড়া আর কোথাও জল জমে নেই৷ টালিগঞ্জ,যাদবপুরে বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে৷ তা সারাতে ২ দিন সময় চেয়েছে সিইএসসি৷

কলকাতার পাশাপাশি লণ্ডভণ্ড অবস্থা সল্টলেকেরও। পুরসভার প্রাথমিক খতিয়ান বলছে, শুধু সল্টলেকেই দুই থেকে আড়াই হাজার গাছ পড়ে গিয়েছে। বহু জায়গায় রাস্তা এখনও আটকে রয়েছে৷ পুরসভার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে, কিন্তু পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে অন্তত সাতদিন সময় লেগে যেতে পারে।

এছাড়াও প্রায় তিন শতাধিক ল্যাম্পপোস্ট হয় পুরো উপড়ে গিয়েছে, নতুবা অর্ধেক ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সংস্থার কর্মীরা যুদ্ধকালীন অবস্থায় পরিস্থিতি ঠিক করার কাজ করছেন। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই কেবল পরিষেবা চালু হয়নি।