নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে বেশ কয়েকদিন ধরে করোনা সংকট মোকাবিলায় মোদী সরকার যে আর্থিক প্যাকেজের কথা তুলে ধরেছেন, বাস্তবে সেটা তত বড় কিছু নয় বরং অনেক কম। এমনটাই অভিমত প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন সংস্থা ফিচ সলিউশন।

গত ১২মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন,২০ লক্ষ কোটি টাকার বা জিডিপির ১০ শতাংশ আর্থিক প্যাকেজ। তারপর পাঁচ দিন ধরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ওই প্যাকেজ ব্যাখ্যা করতে একের পর এক ঘোষণা করেন। যদিও সেটিকে মহাজনী প্যাকেজ বলে ইতিমধ্যেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কটাক্ষ করেছেন। কারণ ওই প্যাকেজে শুধু ঋণের কথা বলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শুধু তাই নয় সরকার এই প্যাকেজ যতই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখাক না বিরোধীরা আওয়াজ তুলেছে প্রকৃত অর্থে তা অনেকটাই কম। এবার এই মূল্যায়ন সংস্থাও ওই প্যাকেজের সমালোচনা করল। কেন্দ্রীয় দাবিকে নস্যাৎ করে ফিচের অভিমত, এই প্যাকেজের পরিমাণ আসলে দেশের জিডিপির ১.৮ শতাংশ। এতে রিজার্ভ ব্যাংকের সুরাহার কথা যেমন বলা হয়েছে তেমনি রাখা হয়েছে ব্যাংক ঋণের প্রসঙ্গ। তাছাড়া এই ঘোষণার অর্ধেকই হল পুরনো।

এই মূল্যায়ন সংস্থার হিসেবে অনুসারে, গত মার্চে কেন্দ্রের ঘোষিত ত্রাণকে‌‌ বাদ দিলে শুধুমাত্র এবারের প্যাকেজ যদি ধরা হয় তাহলে সেটা মাত্র ১ শতাংশ। সেদিক দিয়ে দেখলে ফিচের অভিমত যেন অনেকটাই বিরোধীদের কথারই প্রতিধ্বনি।ফিচের বক্তব্য, করোনার ধাক্কায় দেশ যেখানে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে সেখানে কেন্দ্রের এই প্যাকেজ আশু সমাধান নয়।

পাশাপাশি এই মূল্যায়ন সংস্থার হুঁশিয়ারি, এমনিতেই ধুকতে থাকা ভারতের অর্থনীতি সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং চাহিদার ধাক্কায় ক্রমশ খাদের দিকে তলিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রকৃত ত্রাণ ঘোষণা করতে যত দেরি করা হবে ততই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাবে। ইতিমধ্যেই যা অবস্থা তাতে কর আদায় ১৮ শতাংশ কমার ইঙ্গিত মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে আরও বেশি করে খরচের দিকে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে বাড়বে রাজকোষের ঘাটতি। আর সেটা ৭ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।