নয়াদিল্লি: অখিলেশের রাজ্যে পরাস্ত হলেও তেজস্বীর তালুকে দাপট দেখাবে এনডিএ। তেমনই উঠে এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আর মাস খানেক বাকি। এই মুহূর্তে প্রকাশ্যে আসতে চলেছে নানাবিধ জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট। যেগুলি সবসময় সম্পূর্ণ ঠিক হয় না, তবে একটা আভাস পাওয়াই যায়।

বৃহস্পতিবার তেমনই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এবিপি। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিহারে বিপুল সাফল্য পেতে চলেছে নীতিশ-মোদী জুটি। এই যুগলবন্দীর ঝড়ে কার্যত উড়ে যাওয়ার জোগার হতে পারে বিরোধী শিবিরের।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও বেশ ভালোই ফল করেছিল এনডিএ শিবির। সেই সময়ে বিজেপির সঙ্গে ছিল লোক জনশক্তি পার্টির সমর্থন। বিহারের মোট ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩১টি দখল করেছিল গেরুয়া শিবির।

সেই সময়ে কেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করে এনডিএ থেকে বেরিয়ে যায় নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড। বিজেপিকে রুখতে প্রবল বিরোধী লালু প্রসাদের সঙ্গে হাত মেলান নীতিশ। যাত্রা শুরু হয় মহাজোটের। সেই জোটের উপরে ভর করে বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নীতিশ কুমার। যদিও সেই জোটের যাত্রাপথ সুদূর প্রসারী হয়নি। বছর খানেকের মধ্যেই লালুর সঙ্গ ছেড়ে ফের এনডিএ-তে ফিরে আসেন নীতিশ। বিজেপির সমর্থনে ফের মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি।

এই মুহূর্তে বিহারে এনডিএ সরকার রাজ্য পরিচালনা করছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই জোটের উপরে ভর করে আগের বছরের থেকেও ভালো ফল করতে চলেছে। এমনই তথ্য উঠে এসেছে এবিপি-র করা সমীক্ষায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের পরে ৩৫টি আসন পেতে পারে এনডিএ শিবির। বিজেপি, জেডিইউ এবং লোক জনশক্তি পার্টি ৪০টির মধ্যে ৩৫টি আসন পাবে।

অন্যদিকে কংগ্রেস, আরজেডি সহ অন্যান্য অবিজেপি দলগুলির দখলে যেতে পারে পাঁচটি আসন। বিহারে যে মহাজোট একেবারেই অকেজো তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে এবিপি-র জনমত সমীক্ষা।