নয়াদিল্লি: বিরোধী শিবিরের প্রবল বিরোধিতার মাঝেও মোদীর পাশেই রয়েছে আম জনতা। বিশ্বের তৃতীয় বিশ্বাসযোগ্য প্রশাসন পরিচালিত হচ্ছে ভারতে। এমনই তথ্য উঠে এসেছে অর্গানাইজেশন ফর ইকনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি)-র করা সমীক্ষায়।

শুধু ভারত নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপরে সমীক্ষা চালিয়েছিল ওইসিডি। সেই সমীক্ষা অনুসারে প্রশাসনের উপরে আস্থা রাখার বিষয়ে এক নম্বরে রয়েছে সুইৎজারল্যান্ড। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এরপরেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতের স্থান।

ওইসিডি-র সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে দেশবাসীর অর্থনৈতিক অবস্থা, রাজনৈতিক উত্থান, বড় দুর্নীতির ঘটনার মতো শিরোনামে আসা খবরগুলির উপরে ভিত্তি করে। এই সকল ক্ষেত্রে সরকারের উপরে জনসাধারণের আস্থার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মাস পাঁচেক আগে এই একই সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল ওইসিডি। সেই সময় ৭৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছিল যে তাঁরা মোদী সরকারের কাজে খুশি। নয়া সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে ৭৪ শতাংশ ভারতীয় সমর্থন করছে এনডিএ সরকারেকে। যা আগের থেকে বেশি।

ওইসিডি-র সমীক্ষা রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে মোদী সরকারের প্রশংসা করেছে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম বা ডব্লুইএফ। তাদের মতে, “বিশ্বের অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য সরকারের প্রধান হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। প্রায় তিন চতুর্থাংশ মানুষের আস্থা রয়েছে নরেন্দ্র মোদী পরিচালিত এনডিএ সরকারের উপরে।” একইসঙ্গে ডব্লুইএফ আরও জানিয়েছে যে দুর্নীতি রুখতে কেন্দ্রীয় সরকারের নানাবিধ ব্যবস্থা এবং কর ব্যবস্থার সংস্কারের মতো পদক্ষেপ দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে। সরাসরি না বললেও ডব্লুইএফ যে আসলে নোট বাতিল এবং জিএসটি-র প্রশংসা করছে তা বোঝাই যায়। দেশের শতকরা ৭৪ ভাগ মানুষ জানিয়েছেন যে তাঁরা মোদী সরকারের কাজে সন্তুষ্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।