জয়পুর: সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার নিরিখে লড়াই চলছে নরেন্দ্র মোদী বনাম রাহুল গান্ধীর। এনডিএ বা ইউপিএ কোন জোত কেন্দ্রের ক্ষমতা দখল করবে তা নিয়ে চূড়ান্ত মতানৈক্য আছে।

বিভিন্ন সমিক্ষায় প্রকাশিত হয়েছের নানাবিধ তথ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবশ্য এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। যদিও সেই সকল সমীক্ষা মানতে নারাজ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপি এবং মোদীর বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করে বিরোধী শিবির।

এই অবস্থায় সামনে এসেছে অন্য এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সাট্টার বাজারে অন্যান্য বিরোধীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে এনডিএ। সেই অনুযায়ী সাট্টার বাজারে গেরুয়া শিবিরের দরও বেড়ে গিয়েছে অনেকটা। এই উত্থান ঘটেছে বালাকোটে বায়ুসেনার অভিযানের পরে।

এমনই খবর ঘুরছে রাজস্থানের যোধপুর শহরের সাট্টার বাজারে। ওই বাজারে গত ২৬ ফেব্রুয়ারির আগে এনডিএ শরিক জোটের পকেটে ২৮০ টা মতো আসন যেতে পারে এবং বিজেপি একার ক্ষমতায় পেতে পারে ২০০টি আসন। যা ২০১৪ সালের ফলের তুলনায় অনেকটাই কম। এই সম্ভাব্য আসন তালিকা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছিল না।

আরও পড়ুন- খুনে অভিযুক্তকে জামিনের জন্য সরকারী আইনজীবীকে নির্দেশ অনুব্রত’র

কিন্তু হাওয়া ঘুরতে শুরু করেছে বালাকটে বায়ুসেনার অভিযানের পরে। এই মুহূর্তে সাট্টার বাজারের তথ্য অনুসারে বিজেপি একার ক্ষমতায় ২৫০ আসন ছাড়িয়ে যেতে পারে। এনডিএ জোট পেয়ে যেতে পারে ৩০০ থেকে ৩১০টি আসন। যার অর্থ কেন্দ্রে ফের মোদী সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার সম্ভাবনা ফের উজ্জ্বল। এই খবরে জোরাল হয়েছে সাট্টার বাজার। রাজস্থানে মোট ২৫টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৮ থেকে ২০টি আসন এনডিএ-র ঝুলিতে যেতে পারে বলেও দাবি করছে সাট্টার বাজার।

অন্যদিকে বায়ুসেনার অভিযানের পরে মারাত্মকভাবে দর কমে গিয়েছে কংগ্রেসের। ডিসেম্বর মাসে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সাট্টার বাজারের এই মুহুর্তে যা তথ্য রয়েছে সেই অনুযায়ী ইউপিএ জোট ৭২ থেকে ৭৪টি আসন পেতে পারে। আগে এই সংখ্যাটি ছিল ১০০।

সাধারণ মানুষের মনে কী আছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। চুড়ান্ত রায় জানা যাবে আগামী ২৩ মে। কিন্তু রাজস্থানের সাট্টার বাজারে রাহুল গান্ধীর থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুন- মাসুদ আজহারকে ভারত বিরোধিতার অর্থ জুগিয়েছিল গুজরাতের মৌলানা