নয়াদিল্লি: উত্তর-মধ্য রেলওয়ে ডিভিশন বিভিন্ন ট্রেডে অ্যাপ্রেন্টিস পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের থেকে দ্রুত এই পদের জন্য নির্দিষ্ট বয়ানে পূরণ করা আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আবেদন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১৬ই এপ্রিল। মোট ৪৮০ টি আসনে নিয়োগ করা হবে। আবেদন করতে হবে কেবলমাত্র অনলাইনে। গত ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। শূন্য পদের বিন্যাস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অবিজ্ঞতা, প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি সহ অন্যান্য জরুরি তথ্য জেনে নিন –

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
অনলাইনে আবেদনপত্র গ্রহণ শুরু হবে ১৭ই মার্চ ২০২১ থেকে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হল ১৬ই এপ্রিল ২০২১।

আসন সংখ্যা

ফিটার : ২৮৬ টি
ওয়েল্ডার : ১১ টি
মেকানিক : ৮৪ টি
কারপেন্টার: ১টি
ইলেক্ট্রিশিয়ান: ৮৮ টি

আবশ্যিক যোগ্যতা:

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এই পদে আবেদনের জন্য আগ্রহী প্রার্থীকে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর সহ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পাশাপাশি NCVT-র সঙ্গে যুক্ত কোনও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে ITI পাশ সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

বয়সসীমা: প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৫ বছর থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। তবে সংরক্ষিত ক্যাটেগরির প্রার্থীরা বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন। রেলওয়ে বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে বাছাই প্রার্থীরা ভাতা পাবেন।

আবেদনের পদ্ধতি:
১৬ ই এপ্রিলের মধ্যে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পরে পরবর্তী প্রয়োজনের জন্য তার প্রিন্ট আউট নেওয়া আবশ্যক।

অ্যাপ্লিকেশন ফি:
সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ফি ১৭০ টাকা। (অ্যাপ্লিকেশন ফি ১৭০ টাকা + GST)
ST, ST, মহিলা এবং শারীরিক বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের কোনও ফি জমা দিতে হবে না।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে রেলের বিভিন্ন জোনে কোন পদে কত শূন্যপদ আছে, তা বিস্তারিত জানা যায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ উত্তর রেলওয়েতে। সেখানে মোট শূন্যপদ ৩৮ হাজার ৪৪৮টি, মধ্য রেলে সেই শূন্যপদ রয়েছে ২৬ হাজার ৯৫৭টি, দক্ষিণ পূর্ব রেখে মোট শূন্যপদ ১৫ হাজার ৪৬৯টি এবং কলকাতা মেট্রোতে শূন্যপদের সংখ্যা হল ৭৬৯টি।সম্প্রতি লোকসভায় কর্মসংস্থান প্রশ্নে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছিলেন ভারতীয় রেলে (Indian Railway) মোট শূন্যপদের সংখ্যা ২ লক্ষ ৮০ হাজার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.