মুম্বই: কেরল, পঞ্জাব, রাজস্থানের পর দেশের চতুর্থ রাজ্য হিসেবে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গও৷ বিজেপি বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্র-বিরোধিতায় সামিল৷ মহারাষ্ট্রে সরকারে রয়েছে শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপি-র জোট৷ বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিরোধ রয়েছে কংগ্রেস ও এনসিপির৷ একাধিক রাজ্যে কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে পথে নেমে প্রতিবাদে সামিল কংগ্রেস নেতৃত্ব৷ ইতিমধ্যেই কংগ্রেস শাসিত পঞ্জাব ও রাজস্থান সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশও করেছে৷ তবে মহারাষ্ট্রে সেই সম্ভাবনা নেই বলেই জানালেন রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার৷

একদলীয় শাসনের রাজ্যগুলিতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পাশ হয়েছে৷ যে রাজ্যগুলিতে একটিমাত্র দল ক্ষমতায় সেখানেই কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ হয়েছে৷ এই প্রসঙ্গে কেরল, পঞ্জাব, রাজস্থান ও পশ্চিমবঙ্গের নাম উল্লেখ করেন মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার৷

নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের মতানুযায়ীই চলবে বলে জানান অজিত পাওয়ার৷ এই প্রসঙ্গে অজিত পাওয়ার বলেন, ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলে দিয়েছেন মহারাষ্ট্রে সিএএ এবং এনআরসি নিয়ে কারও কোনও আপত্তি থাকার কথা নয়৷ আমরাও তাঁর মতামত অনুসরণ করেই চলছি৷’

সোমবারই সিএএ-বিরোধী প্রস্তাব পাস হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। কেরল, পঞ্জাব, রাজস্থানের পর দেশের চতুর্থ রাজ্য হিসেবে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ওই প্রস্তাব পাস করেছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকার। সোমবারও পশ্চিমবঙ্গে কোনভাবেই সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর করা হবে না বলে সাফ জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। সব ধরনের নথির জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রান হচ্ছেন।’ এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা