নয়াদিল্লি : অবশেষে মুক্তি পেলেন সিআরপিএফের অপহৃত কোবরা জওয়ান রাকেশ্বর সিং মানহাস। সিআরপিএফ সূত্রে এমনই খবর। যদিও সিআরপিএফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের সূত্র বৃহস্পতিবার এই তথ্য দেয় ইন্ডিয়া টুডেকে।

জানা গিয়েছে কোবরা জওয়ান রাকেশ্বর সিং মানহাস মুক্তি পেয়েছেন। বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য ছত্তিশগড়ের বিজাপুর-সুকমা সীমান্তে সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর মাওবাদী হামলায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। শনিবার ছত্তিশগড়ের নকশাল অধ্যুষিত অঞ্চলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল প্রায় ২০০০ নিরাপত্তারক্ষী৷ আচমকা নকশালরা গুলি চালাতে শুরু করে৷ মাওবাদী হামলায় এক জওয়ানকে অপহরণ করা হয়।

সিআরপিএফ জওয়ান ও কোবরা কম্যান্ডো রাকেশ্বর সিং মনহাস এই সংঘর্ষের মাঝেই নিখোঁজ হয়ে যান। পরে মাওবাদীদের তরফে জানানো হয় তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে। এই খবরে রীতিমত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে মনহাস পরিবার। ছত্তিশগড় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাকেশ্বরকে ছাড়িয়ে আনার আবেদন করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে।

এরই মধ্যে ছুঁয়ে যায় নিখোঁজ জওয়ানের পাঁচ বছরের মেয়ের কাতর আবেদন। মাওবাদীদের উদ্দেশে পাঁচ বছরের শ্রাগভির কাতর আবেদন তার বাবাকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের মাধ্যমে শ্রাগভির বার্তা প্লিজ নকশাল কাকু, আমার বাবাকে ছেড়ে দাও। চোখে জল নিয়ে শ্রাগভির আবেদন আবেগমথিত করে অনেককেই। তাই সিআরপিএফ জওয়ান রাকেশ্বর সিংয়ের মুক্তিতে স্বস্তি ফিরেছে।

শনিবার ছত্তিশগড়ের মাওবাদী হামলায় ২২ সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন। আহত হন ৩১ জন জওয়ান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মাওবাদীরা একটি দল সৈন্যদের দলকে ঘিরে ফেলে এবং এই আক্রমণ চালায়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, মাওবাদী নেতা হিড়মা এই পুরো ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী।

বর্তমানে মাওবাদীদের সন্ধানে সুকমা-বিজাপুর সীমান্তে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সূত্রমতে, এই হামলার পেছনে কুখ্যাত মাওবাদী নেতা হিড়মার হাত রয়েছে এবং তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে ঘন বনের মধ্যে টোপ দিয়ে ডেকে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল।ওখানকার মাওবাদী দলগুলো এবং হিড়মা সুরক্ষা বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত মাও বিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ায় বেশ ক্ষুব্ধ ছিল এবং বারবার হুমকি দিচ্ছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।