হায়দরাবাদ: প্রেমিক এখন ২১ বছরের। অষ্টাদশী পেরিয়ে প্রেমিকা এখন ১৯। প্রেমের শুরু হয়েছিল আরও কয়েক বছর আগে। অল্প বয়সের মোহ হয়তো কেটে যাবে। এমনই ভেবেছিলেন দুই পরিবারের লোক।

কিন্তু সেই ভাবনায় ছিল বিস্তর গলদ। আর সেটাই কাল হয়ে দাড়িয়েছিল উই পরিবারের কাছে। বাড়ির লোক এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় আত্মহত্যার পথে পা বাড়ায় ওই যুগল। যদিও সেটাই শাপে বর হয়েছে। বাধ্য হয়ে ওই সম্পর্ক মেনে নিয়েছে দুই পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার ভিকারাবাদ জেলায়।

এই যুগল হলেন রেশমা এবং নওয়াজ। স্কুল জীবন থেকে শুরু হয়েছিল দু’জনের প্রেম। যা নিয়ে আপত্তি ছিল দুই পরিবারের। মেয়ের বয়স ১৮ পেরিয়ে যাওয়ায় পর পাত্র দেখতে শুরু করেছিল রেশমার পরিবার। যা একেবারেই মেনে নিতে পারেনি কৈশরের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে থাকা রেশমা।

প্রিয় পাত্রকে না পাওয়ার হতাশায় কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে রেশমা। তাঁকে ভিকারাবাদ জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে যায় প্রেমিক নওয়াজ। প্রেমিকা রেশমার গুরুতও অবস্থা দেখে নওয়াজও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে সেই একই কীটনাশক খেয়ে।

এতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়। এতেই দুই পরিবার সম্পর্ক মেনে নিতে বাধ্য হয়। হাসপাতালেই কাজি ডেকে তাঁদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। হাসপাতালের বিছানাতেই চার হাত এক করা হয় রেশমা এবং নওয়াজের।

এই মুহূর্তে আহত দুই ব্যক্তিকে ভিকারাবাদ হাসপাতাল থেকে ক্রওফ্রড মিশন হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। প্রথমিক অবস্থায় রেশমার অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে ওই নব দম্পতি সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ডাঃ বি অবিনাশ।