নয়াদিল্লি: ভারত মহাসাগরে নজরদারি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী। একাধিক যুদ্ধজাহাজ ঘুরছে মহাসাগরে। শত্রুদের কার্যকলাপে নিশ্ছিদ্র নজরদারি বজায় রাখতে ১০টি শক্তিশালী ‘শিপবোর্ণ ড্রোন’ কেনার প্রস্তাব রেখেছে নৌবাহিনী। অর্থাৎ এবার থেকে যুদ্ধজাজাহাজ থেকে নজরদারি চালাবে ভারতের নৌসেনা।

সরকারি সূত্রে খবর, “ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে যেখানে ১০টি জাহাজের সঙ্গে সংযুক্ত এরিয়েল সিস্টেম চাওয়া হয়েছে। যার খরচ ১২৪০ কোটি”।

নৌবাহিনীর পরিকল্পনা অনুযায়ী, বড়মাপের যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা হবে এই ড্রোনগুলি। ভারত মহাসাগরের বুকে চিন সহ একাধিক অন্যান্য শ্ত্রুদের কার্যকলাপ নজরে রাখতে এবং জলসীমায় অনুপ্রবেশ রুখতে বিশেষ সহায়ক হবে এই ‘শিপবোর্ণ ড্রোন’।

কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছে, ভারত মহাসাগরে প্রতিদিন নিজেদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে চিন। বিভিন্ন সময়ে আচমকা ঢুকে পড়ছে চিনা জাহাজ। ভারতের সীমানা লঙ্ঘন করে বহু সময়ে ঢুকে পড়ছে যুদ্ধজাহাজও।

শুধু সাগরের উপরেই নয়। মহাসাগরের নীচেও গোপনে ঢুকে পড়ছে চিনের সাবমেরিন। ভারত মহাসাগরের অর্থনৈতিক জোনের কাছাকাছি এলাকায় গড়ে ৭ থেকে ৮ টি চিনা জাহাজ ঘোরাফেরা করছে। ভারত সেগুলির উপস্থিতি বিলক্ষণ জানে এবং সেইগুলির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে প্রথমে এই শক্তিশালী ড্রোন সিস্টেম হাতে পাবে নৌবাহিনী এবং পরে প্রয়োজনমতন তা যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা হবে।

এছাড়াও ম্যাদাগাসকর থেকে মালাক্কা প্রণালী অবধি নজরদারি আরও বাড়াতে ‘সি-গার্ডিয়ান ড্রোন’ পেতে আমেরিকার সঙ্গে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রক নৌবাহিনীতে উপস্থিত ড্রোনগুলিকে আরও উন্নত করতে পার্টস কেনার জন্য আলোচনা চালাচ্ছে।

ভারত মহাসাগরে ক্রমশ নিজেদের দাদাগিরি এবং আগ্রাসন দেখাচ্ছে চিন। চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকা, ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া যেভাবে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, এটাই সুবর্ণ সুযোগ দক্ষিণ চিন সাগর ও ভারত মহাসাগরে চিনের আধিপত্য খর্ব করার। শত্রু চিনকে ঠেকাতে আর কোনও ফাঁক রাখতেই চাইছে না ভারত। ভারত মহাসাগরের প্রত্যেকটা দিক কার্যত বন্ধ করে দিতে চাইছে ভারতীয় নৌসেনা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও