মুম্বই: নাইটি পরায় নিষেধাজ্ঞা! শুনে মনে হচ্ছে কি কোনও আজব গাঁয়ের আজব কথা শুনছেন নাকি আরব প্রদেশের কোনও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঘটনা? উত্তর এর কোনওটাই নয়৷ এদেশের খাসতালুকে মহারাষ্ট্রের নভি মুম্বইতে গথিভালী নামক এক গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনা৷

সম্প্রতি সেখানে হুলিয়া জারি করা হয়েছে মহিলারা কেউ রাত্রে নাইটি পরতে পারবেন না৷ বেরোনো তো নৈব নৈব চ৷ আর থাকতে না পেরে রাত্রে যদি ভুলবশত কেউ নাইটি গলিয়ে বাইরে আসেনও তাহলে জরিমানা হিসেবে গুণতে হবে কড়কড়ে পাঁচশো টাকা৷ উফ ভাবা যায় না!

গ্রামের ইন্দ্রয়ানী মহিলা মণ্ডল নামের এক মহিলা সমিতির বক্তব্য চারপাশে যে হারে ধর্ষণ আর মেয়েদের উত্যক্ত করার ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে, তা দেখে আশংকিত হয়েই নাইটির উপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে৷

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রের খবর, সমিতির এক সদস্যার মতে, ঘরের বাইরে এ ধরনের পোশাক পরে বের হলে মহিলাদের উপর হামলার আশংকা অনেকটাই বেড়ে যায়৷ আর তাছাড়া এমনিতেই নাইটি বা ম্যাক্সি পরে বেরোনোটা খুব একটা শোভন ব্যাপারও নয়৷রবিবারই অবশ্য গ্রামে একটি খোলা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল মহিলা কমিটি৷ যাতে মারাঠিতে স্পষ্ট ভাষায় লেখা ছিল এলাকায় আর কখনও ম্যাক্সি বা নাইটি পরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করা চলবে না৷ আর কেউ এর অন্যথা করলে জরিমানাস্বরূপ তার কাছ থেকে আদায় করা হবে ৫০০ টাকা৷

কিন্তু বললেই কি অত সহজে মানা যায়? সমস্বরে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন গ্রামের আট থেকে আশি সব মহিলা৷ঘটনা ক্রমশ এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে অবশেষে হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকেও৷ সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর এস গোজরের বক্তব্য, কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত বা সমিতি এভাবে কোনও কিছুর উপর আইনত নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে না৷ আমরা মহিলা সমিতির সঙ্গে কথা বলে ব্যাপারটা তাঁদের বুঝিয়েছি এবং গ্রামের নোটিশ বোর্ড থেকে নোটিশটা খুলেও ফেলেছি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।