বার্লিন: রুশ বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনিকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা এই প্রশ্ন এখনও রহস্যময়। তবে তাঁর দেহে কিছু খনিজ বিষের অস্তিত্ব রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছিল। রাশিয়া থেকে জার্মানিতে নিয়ে এসে চিকিৎসা চলছে নাভালনির। তিনি রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রবল সমালোচক বলেই পরিচিত।

বার্লিনের শারিট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্দেহজনক বিষ প্রয়োগের শিকার হওয়ার পর অ্যালেক্সি নাভালনির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ৪৪ বছর বয়সী এই নাভালনি এখনও ভেন্টিলেশনে। জার্মানির সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে এই খবর।

গত ২০ অগস্ট সাইবেরিয়ার টোমস্ক শহর থেকে মস্কো যাওয়ার পথে বিমানের মধ্যেই নাভালনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নাভালনিকে নিয়ে বিমানটি সাইবেরিয়ার ওমস্ক শহরে জরুরি অবতরণ করে। সেখানকার হাসপাতালে শুরু হয় চিকিৎসা।

নাভালনির সমর্থকরা দাবি করেন, বিষ প্রয়োগ করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। বিমানে উঠে চা পান করেন নাভালনি। তারপরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সমর্থকদের সন্দেহ চায়ের মধ্যে বিষ ছিল।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে, নাভালনিকে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সরকার। তিনি জার্মানির হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর টানাটানিতে রয়েছেন। এই রাজনীতিকের বিষক্রিয়া রহস্যের তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে রুশ পুলিশ।

কট্টর পুতিন বিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিত নাভালনি। প্রেসিডেন্ট পুতিন সংবিধান সংশোধন করে ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতেই সরব হয়েছিলেন নাভালনি। ফিউচার ফর রাশিয়া দলের নেতা তিনি। যদিও দলটির কোনও নির্বাচিত সদস্য নেই রাশিয়ার আইনসভার কোনও কক্ষে, এমনটাই জানাচ্ছে তাস সংবাদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।