নয়াদিল্লি: শুক্রবার ঘোষণা হল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট। বিভিন্ন ক্ষেত্রের মত মোদী সরকারের দ্বিতীয় জমানার প্রথম বাজেটে নজর ছিল ক্রীড়াক্ষেত্রেও। তবে চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটের তুলনায় বাড়তি কিছুই বরাদ্দ হল না ক্রীড়াক্ষেত্রে। একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে ‘খেলো ইন্ডিয়া’র ফ্ল্যাগশিপে গঠিত হতে চলেছে ন্যাশনাল স্পোর্টস এডুকেশন বোর্ড। ঘোষণা মহল ক্রীড়া বাজেটে।

২০১৭ অক্টোবরে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির স্বার্থে ও সচেতনতা বাড়াতে ঘোষণা করা হয়েছিল খেলো ইন্ডিয়া স্কিম। সেই খেলো ইন্ডিয়া স্কিমকে সামনে রেখেই শুক্রবার বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানান, ‘সরকার খেলো ইন্ডিয়া স্কিমের পরিধি বাড়াতে অগ্রসর এবং সেকথা মাথায় রেখে সবরকমের আর্থিক সাহায্যে প্রস্তুত। সকল স্তরে দেশের খেলাধূলাকে জনপ্রিয় করতে খেলো ইন্ডিয়ার অধীনে ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের নিয়ে গঠন করা হবে ন্যাশনাল স্পোর্টস এডুকেশন বোর্ড।

গত ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রকে বরাদ্দ অর্থ বৃদ্ধি পেয়েছিল ২১৪.২ কোটি টাকা। ২০০২.৭২ কোটি টাকা থেকে যা বেড়ে হয়েছিল ২২১৬.০২ কোটি টাকা। পাশাপাশি স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়াতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল ৫৫ কোটি টাকা। ন্যাশনাল ক্যাম্প, দেশের অ্যাথলিটদের বিভিন্ন সরঞ্জাম বাবদ সাইকে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৪৫০ কোটি টাকা।

অন্তর্বর্তী বাজেটে বাড়ানো হয়েছিল খেলো ইন্ডিয়া প্রোজেক্টে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণও। দেশের খেলাধূলার উন্নতির কথা মাথায় ২০১৭ গঠিত এই স্কিমে বরাদ্দ বাজেট ৫০.৩১ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ৬০১ কোটি টাকা। একইসঙ্গে এনএসডিএফে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ২ কোটি টাকা থেকে একলাফে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ৭০ কোটি টাকা। এছাড়াও অ্যাথলিটদের পুরস্কারবাবদ অর্থখাতে বরাদ্দের পরিমাণ ৯৪.০৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ৪১১ কোটি টাকা।

ক্রীড়াক্ষেত্রে বাজেট ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে সোশাল মিডিয়ায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরন রিজিজু। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। খেলো ইন্ডিয়ার অধীনে দেশের খেলাধূলার উন্নয়নের স্বার্থে ন্যাশনাল স্পোর্টস এডুকেশন বোর্ড গঠনের জন্য তাঁদের ধন্যবাদ।’

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।