অভিষেক কোলে: বোর্ডের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্লেয়ারস অ্যান্ড ম্যাচ অফিসিয়ালস এরিয়ায় (পিএমওএ) ঢুকে পড়েছিলেন জাতীয় নির্বাচক। বিষয়টি নজরে আসতেই বাংলার সিনিয়র ক্রিকেটার এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বোর্ডের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকের। সংশ্লিষ্ট এসিইউ অফিসার তৎক্ষণাৎ জাতীয় নির্বাচককে পিএমওএ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

ইডেনে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে বাংলার রঞ্জি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ঘটে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা। সূর্যগ্রহণ ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া দিনের খেলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মন্দ আলোয় দু’দফায় ম্যাচ বন্ধ করতে হয় আম্পায়ারদের। লাঞ্চের আগে দিনের প্রথম সেশনে মোটে ৯ ওভারের খেলা সম্পন্ন হয়। সেই সময়েই বাংলার ড্রেসিংরুমে দেখা যায় জাতীয় নির্বাচক তথা প্রাক্তন বাংলা অধিনায়ক দেবাং গান্ধীকে।

বাংলার বেশিরভাগ ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফ বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও জাতীয় নির্বাচককে প্লেয়ার্স এন্ড ম্যাচ অফিসিয়ালস এরিয়ায় দেখামাত্র বোর্ডের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সিনিয়র তারকা মনোজ তিওয়ারি। খানিকটা অভিযোগের সুরে মনোজ এসিইউ অফিসার সৌমেন কর্মকারের কাছে জানতে চান বাংলার ড্রেসিংরুমে জাতীয় নির্বাচকের বিচরণ বৈধ কিনা।

বিষয়টি নিয়মবিরুদ্ধ উপলব্ধি করেই বোর্ডের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিক দেবাং গান্ধীকে পিএমওএ ছাড়ার নির্দেশ দেন। পরে মনোজ নিজে আলোচনা প্রসঙ্গে এই ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবগত করেন। তাঁর স্পষ্ট মত, বোর্ডের নিয়ম সবার মেনে চলা উচিত। বাকিরা বিষয়টিকে গুরুত্ব না-দিলেও তিনি এমন নিয়মবিরুদ্ধ কাজ মেনে নিতে পারেননি।

এসিইউ অফিসার বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি না-হলেও ঘটনাটি অস্বীকার করেননি। দেবাং অবশ্য ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করার সুরেই জানান যে, তিনি কেবলমাত্র বাংলার টিম ফিজিওকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মেডিক্যালের রুমে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। পরে অবশ্য বিতর্ক এড়াতে আসরে নামে সিএবি৷ সচিব অভিষেক ডালমিয়ার তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, ‘বোর্ডের দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকের অনুমতি নিয়েই বাংলা-অন্ধ্রপ্রদেশ রঞ্জি ম্যাচে ইডেনে প্লেয়ার্স অ্যান্ড ম্যাচ-অফিসিয়ালস এরিয়ায় কিছুক্ষণের জন্য গিয়েছিলেন মিস্টার গান্ধী৷’