নয়া দিল্লি: অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে ও সুরক্ষাবিধির প্রতি আরো যত্নশীল হতে প্রতি বছর ৪ঠা মার্চ “জাতীয় সুরক্ষা দিবস” পালন করা হয়ে থাকে। এইদিনই গঠিত হয়েছিল জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিল। তাই নিজেদের সুরক্ষার সুবিধার্থে কাউন্সিলের কর্মী এবং সাধারণ জনগণ যাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় তাই এই দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় জাতীয় স্তরে। প্রথম এই দিনটি পালিত হয়েছিল ১৯৭২ সালে জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠা দিবসে। এই কাউন্সিল কেন্দ্র সরকার দ্বারা গঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবী, স্বয়ংশাসিত সংস্থা যা জাতীয় স্তরে কাজ করে থাকে।

সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে সচেতনার আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কেন্দ্র সরকার ৪ঠা মার্চ স্থাপন করেন এই সংস্থা। ১৮৬০ সালের সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন এক্ট অনুযায়ী এই কাউন্সিলটি গঠিত হয়। ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে স্ট্যান্ডিং লেবর কমিটির ২৪তম অধিবেশনে জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিলের প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছিলো। এই বছর এই সংস্থা ৪৯তম বছরে পদার্পণ করলো। এই দিনটি নিজেই একটি জাতীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত হয়েছে। “ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো”-এর ২০১৯- এর তথ্য বলছে যে ২০১৯ সালে ৪, ২১, ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন দুর্ঘটনাজনিত কারণে। এর পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাই ছিল ৪, ৬৭, ১৭১ টি।

আরো পোস্ট- যুদ্ধে পটু এই উপজাতি সমাধিতে দিতো এই বিশাল জিনিসটি!

কাউন্সিলের মূল লক্ষ্য এখনো রয়েছে এক- সমাজকে সুরক্ষা প্রদান করা, সচেতনতামূলক সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা ও বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি করা জনগণের মধ্যে। এই কর্মসূচিটি এক দিবসীয় কর্মসূচি হিসেবে শুরু হলেও এখন তা পালিত হয়ে থাকে ৪ঠা মার্চ থেকে ১০ই মার্চ অর্থাৎ ১ সপ্তাহ ধরে জাতীয় সুরক্ষা সপ্তাহ হিসেবে।

প্রতি বছর দিনটি উদযাপিত করতে একটি নির্দিষ্ট ভাবনা বেছে নেওয়া হয়। এই বছর ভাবনায় স্থান পেয়েছে “সড়ক সুরক্ষা”। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিকে তুলে ধরা হয় জনগণের জন্যে। তবে দেশকে সুরক্ষা প্রদানের কৃতিত্ব তাদেরকেই দেওয়া উচিত যারা ২৪ ঘন্টা দেশকে বহিঃশত্রু ও নানা সামাজিক অসুরক্ষার বিরুদ্ধে বাঁচাতে লড়াই করে যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।