হরিদ্বার : জাতীয় কন্যাসন্তান দিবস উদযাপনে নয়া পদক্ষেপ। একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করা হল উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের বাসিন্দা সৃষ্টি গোস্বামীকে। রবিবার এই পদে বসানো হল সৃষ্টিকে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রবিবার কাজ করবেন সৃষ্টি।

দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস। সেই উপলক্ষ্যকে সামনে রেখেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকার। রবিবার দেরাদুনে শিশু বিধানসভা অধিবেশনেও যোগ দেবেন ১৯ বছরের সৃষ্টি। বিএসসি এগ্রিকালচারের ছাত্রী সৃষ্টি গোস্বামী দৌলতপুরে থাকেন। ওই গ্রামেই একটি ছোট দোকান চালান তাঁর বাবা। তাঁর মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী।

২০১৮ সালেও একবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সৃষ্টি। উত্তরাখণ্ড বাল বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক স্তরে মেয়েদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সৃষ্টি। সৃষ্টির বাবা প্রবীণ পুরী সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, তাঁর মেয়ে অত্যন্ত বুদ্ধিমতী। এলাকার মেয়েদের পরিস্থিতির উন্নতির জন্য অনেক কাজ করে সৃষ্টি। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালায়। মহিলাদের স্বনির্ভর হতে উৎসাহ দেয়।

উত্তরাখন্ডের একদিনেক এই মুখ্যমন্ত্রী রবিবার খতিয়ে দেখবেন রাজ্যের একাধিক প্রকল্পকে। এর মধ্যে থাকছে অটল আয়ুষ্মান প্রকল্প, স্মার্ট সিটি প্রজেক্ট, হোমস্টে স্কিম ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্প। সরকারি আধিকারিকরা সৃষ্টিকে প্রতিটি প্রজেক্টের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেবেন।

উত্তরাখণ্ডের একদিনের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বেশ খুশি সৃষ্টি। তিনি জানান, এটা যেন একটা স্বপ্ন। তিনি গর্বিত এই সুযোগ পেয়ে। যুব সম্প্রদায়ের জন্য যদি তিনি কিছু করতে পারেন, তবে সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন। সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চান তিনি বলে জানান সৃষ্টি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।