নয়াদিল্লি: ক্যান্সারের জেরে প্রতি বছর সারা বিশ্ব জুড়ে কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। জই প্রথম অবস্থাতেই ক্যান্সার চিহ্নিত না করা যায়, তবে মানুষকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে। আমেরিকার ২০ শতাংশ ব্যক্তি ওজন বৃদ্ধি, দুর্বল পুষ্টি এবং অ্যালকোহলের কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনও ব্যক্তির জীবনধারা এবং ডায়েটের ক্যান্সারের সঙ্গে ক্যান্সারের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। মানুষকে ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর National Cancer Awareness Day পালিত হয়।

আল্ট্রা প্রসেসড ফুড – প্যাকেটজাত রুটি, মিষ্টি, স্ন্যাকস, সোডা, চিনিযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং স্যুপ আল্ট্রা প্রক্রিয়াজাত খাবারের তালিকায় আসতে পারে। এগুলি থেকেই ক্যান্সারের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও যেসব খাবারে চিনি, তেল বা চর্বি প্রচুর পরিমাণে থাকে তা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

অ্যালকোহল- গবেষকরা আরও দাবি করেছেন, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। অ্যালকোহল বা কোনও মাদক সেবন করা একজন ব্যক্তির মুখের ক্যান্সার, গলার ক্যান্সার, লিভারের ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এবং কোলেরেটাম ক্যান্সার হতে পারে

স্মোকিং- আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর ক্যান্সার-এর রিসার্চ অনুসারে, অ্যালকোহল ছাড়াও সিগারেট বা তামাক সেবন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। অ্যালকোহল বা অন্যান্য মাদকদ্রব্যতে এমন রাসায়নিক রয়েছে যা মানুষের ডিএনএর ক্ষতি করে।

প্রোটিন ডায়েট- কিছু মানুষ সুস্থ থাকার জন্য বেশি প্রোটিন গ্রহণ করেন। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খায় তাঁদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।