নাসিক: করোনার দ্বিতীয় টিকা নিতেই চুম্বকে পরিণত হয়েছে শরীর। কাছে কোনো লোহার জিনিস থাকলেই আটকে যাচ্ছে শরীরে। আর এমন পরিবর্তন শুরু হয়েছে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পর। এমনই আজব দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের নাসিকের (Nashik) শিবাজী চকের (Shivaji Chowk) এক বাসিন্দা। ৭১ বছরের ওই বৃদ্ধের নাম অরবিন্দ সোনার। তাঁর চুম্বক শরীরের ভিডিও এই মুহূর্তে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। রীতিমত হইচই ফেলে দিয়ে এই ভিডিও।

তবে অরবিন্দবাবুর এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কী বলছেন স্বাস্থ্য আধিকারিক? এইমুহূর্তে তারা এবিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ। তবে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের তরফ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনা নিয়ে এক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, কোনোরকম যাচাই ছাড়া এবিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তাই পুরো বিষয়টি যাচাইয়ের পর তাঁরা প্রতিক্রিয়া দেবেন।

ভিডিওতে ঠিক কী দেখা যাচ্ছে? সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, ৭১ বছরের ওই বৃদ্ধের শরীরে আটকে যাচ্ছে হাতা, কয়েন, হাতার মত লোহার জিনিস। ওই ব্যক্তি নিজে জানান, ইন্টারনেটে তিনি দেখেছিলেন যে টিকা (Vaccine) নেওয়ার পর দেহে ম্যাগনেটিক ফিল্ড দেখা যাচ্ছে। তাই তিনি নিজে পরীক্ষা করেন। প্রথমে তিনি নিজের শরীরে কয়েন ছুঁইয়ে দেখেন। তখনই দেখা যায় যে কয়েন শরী থেকে আলাদা হচ্ছে না। চুম্বকের মত আটকে রয়েছে শরীরে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Bol Bhidu (@bolbhidu)

যদিও চিকিৎসকরা কিন্তু বারবার এমন চুম্বকীয় প্রভাবকে ভ্রান্ত ধারণা বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, টিকা নিলেই দেহে চুম্বকীয় প্রভাব পড়ে এটা একেবারে ভ্রান্ত ধারণা।

তবে এই ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন নাসিকের (Nashik) জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি যাচাই করে তারপরই তিনি প্রতিক্রিয়া দেবেন। করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর গায়ে হাতে সামান্য ব্যথা ও জ্বরের ঘটনা স্বাভাবিক। কিন্তু অরবিন্দ সোনারকে দেখে কার্যত হতবাক গোটা দেশ। কী করে তাঁর হাতে আটকে যাচ্ছে লোহার সামগ্রী? এই প্রশ্নেই উত্তাল সোশ্য়াল মিডিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.