ওয়াশিংটন: মঙ্গলের বুকে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে নাসার রোভার পারসেভেব়্য়ান্স। লাল গ্রহের মাটিতে প্রায় ২১.৩ ফিট বা ৬.৫ মিটার এলাকা ঘুরে বেড়িয়েছে এই রোভার। মঙ্গলের মাটিতে দাগ রেখে দিয়েছে সে।

৪ মার্চ মঙ্গলের মাটিতে গবেষণা চালায় নাসার রোভার পারসেভেব়্য়ান্স। নাসার তরফে শুক্রবার জানানো হয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি মাইলফলক। নাসা রোভার এখন মঙ্গলের যে জায়গায় রয়েছে তার নাম ‘অক্টাভিয়া ই বাটলার ল্যান্ডিং’। কল্পবিজ্ঞানের লেখক অক্টাভিয়া ই বাটলারের নাম অনুসারে এই জায়গার নামকরণ করা হয়েছে। নাসার বিবৃতি অনুসারে, রোভার একবার যাতায়াত শুরু করার পর ৬৫৬ ফিট বা ২০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা কভার করবে। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরির পারসেভেব়্যান্স রোভার মোবিলিটি টেস্টবেড ইঞ্জিনিয়র আনাইস জারিফিয়ান জানিয়েছেন, কোনও গ্রহে চাকাবিশিষ্ট গাড়ির কথা তখন তার সঙ্গে প্রথমে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা জড়িয়ে যায়।

তিনি আরও বলেছেন, এক বার পারসেভেব়্যান্স যাত্রা শুরু করলে তা গড়গড়িয়ে এগিয়ে যাবে। দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্স দেবে। আগামী ২ বছরের জন্য এর পারফর্ম্যান্স নিয়ে নিশ্চিন্ত বিজ্ঞানীরা। এদিন মঙ্গলের মাটিতে প্রায় ৩৩ মিনিট ঘুরে বেড়ায় পারসেভেব়্যান্স।

১৯ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলে নেমেছে নাসার রোভার পারসেভেব়্যান্স। মঙ্গলের জেজেরো কার্টারে নেমেছে সে। তারপর থেকে একের পর এক ছবি পাঠাচ্ছে। এবার তারই একটি ছবি প্রকাশ পেল। ছবিটি প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)। ‘দি ট্রেস গ্যাস অরবিটার’ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই ছবিটি পাঠায়। ছবিতে দুটি গর্তের মাঝখানে দেখা গিয়েছে নাসার রোভারকে। ছবিটি টুইটারে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া রোভারের আশপাশে আরও একাধিক জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মঙ্গলগ্রহে কয়েকশো কোটি বছর আগে বিশাল একটি হ্রদ ছিল। সম্ভবত সেই হ্রদে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল বলেও ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। এবারের মঙ্গলাভিযানের প্রধান লক্ষ্যই হল লাল গ্রহে প্রাণের সন্ধান খুঁজে বের করা। রোভার প্রথমে যে দুটি ছবি পৃথিবীতে পাঠিয়েছে সেখানে ক্যামেরার লেন্সে ধুলোর আস্তরণের মধ্য দিয়ে তার সামনে ও পিছনের দিকটি দেখা যাচ্ছে। নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, রোভারটি মঙ্গলগ্রহের উপরে থাকা ব-দ্বীপের মত চেহারার একটি অংশের দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবতরণ করেছে। আগামী দু বছর এই এলাকাটিতেই পারসেভেব়্যান্স প্রাণের সন্ধান চালাবে। নাসার বিজ্ঞানীদের অনুমান, মঙ্গলগ্রহে পাথরের যে কোনও রকম অণুজীবের অস্তিত্ব সংরক্ষণের ক্ষমতা রয়েছে। ফলে অতীতে যদি মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব থেকেও থাকে, তাহলে এই পাথরের মধ্যে তার ইঙ্গিত মেলার আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।