ওয়াশিংটন: ‘কোই মিল গ্যায়া’ ছবির দৃশ্য মনে আছে নিশ্চয়ই৷ একটি বিশাল বড় মাদারক্রাফ্টে চেপে পৃথিবীতে পাড়ি দিয়েছিল এলিয়ানরা৷ বড় বড় পায়ের ছাপে ভরে গিয়েছিল গোটা এলাকা৷ ঝাঁপিয়ে পরেছিলেন গবেষকেরা৷ আদৌ কি তা সত্যিই এলিয়ানদের পায়ের ছাপ সেই নিয়ে গবেষণা করতে ঝাঁপিয়ে পরেছিলেন গবেষকেরা৷ এই ‘কোই মিল গ্যায়া’ ছবিরই অনুরূপ দৃশ্য দেখা গেল এবার বাস্তবে৷

নাসার ফুটেজে ধরা পড়ল অদ্ভুত বিশালাকার এক মহাকাশযানের৷ যেটি থেকে ঠিকরে বেরোচ্ছে লাল আলো৷ ইন্টারন্যাশানাল স্পেস স্টেশনে ধরা পরেছে সেই ছবি৷ সেই অদ্ভুত মহাকাশযান থেকেই ঠিকরে বেরোচ্ছে আলো৷ লাল আলোয় ছেয়ে গিয়েছে আকাশ৷ কিন্তু সেটি কি আদৌ এলিয়ানদের অস্তিত্ব বোঝাচ্ছে নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য৷ সেটি নিয়ে চুলচেরা গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷ মহাকাশে থাকা পাঁচটি স্পেস এজেন্সির দিকে নিশানা করে সেই আলো বেরোচ্ছে৷

ইউএফও হান্টার ইউটিউবে সেই ভিডিওটি আপলোড করেছে৷ মুহূর্তের মধ্যে সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল সাইটে৷ এই প্রসঙ্গে নাসার এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, এই আলোর গতিবিধিটির মধ্যেই রহস্য লুকিয়ে রয়েছে৷ গাঢ় লাল রংয়ের আলো বেরিয়ে আসছে সেই মাদারশিপ থেকে আর সেই আলো গিয়ে পড়ছে নাসার স্পেস স্টেশনের উপরে৷

তবে, কি কারণে এবং কোথা থেকে এই আলো বেরিয়ে আসছে সেই নিয়ে বিজ্ঞানীদের মনে রহস্য দানা বেঁধেছে৷ এমনকি এই আলোর ধরণ ধারণ আরও বেশি চিন্তায় ফেলেছে বিজ্ঞানীদের৷

প্রসঙ্গত, নাসার কোনও কোনও বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন এটি কোনও অস্ত্র হতে পারে৷ পৃথিবীকে ধ্বংস করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ আবার কেউ কেউ ডেটা ট্রান্সফার মেশিন হিসেবেও ভেবেছিলেন এই মাদারশিপটিকে৷