ওয়াশিংটন: গ্রহদের যদি ব্যক্তি হিসেবে কল্পনা করা যেত, তাহলে মঙ্গলগ্রহের সাম্প্রতিক আচরণ একজন রকস্টারের মতো। এমনটাই জানাচ্ছে নাসার ম্যাভেন মহাকাশযান।

কিন্তু কেন এহেন আচরণ?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলের চারপাশে বায়ুমণ্ডলীয় কণা এমনভাবে ঘিরে থাকে, যার সঙ্গে এক ব্যক্তির চেহারার সাদৃশ্য খুঁজলে মনে হবে ব্যক্তিটির মাথায় ‘মোহক’ স্টাইলে চুল ছাঁটা হয়েছে। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে ধাতু কণার আবরণ রয়েছে এবং সৌরঝড় বয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলে উজ্জ্বল আলোও দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

দ্য মার্স অ্যাটমোস্ফিয়া অ্যান্ড ভোলাটাইল এভোলিউশন বা ‘ম্যাভেন’ মহাকাশযানটি গত ১৮ নভেম্বর, ২০১৩ সালে মঙ্গলের কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। সৃষ্টির আদিকালে মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, এই যানটি তা নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে।

নাসার বৈজ্ঞানিকদের অনুমান, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর ইলেকট্রিকালি চার্জড হয়ে রয়েছে। সৌর ঝড় বয়ে যাওয়ার পরেই এই আচরণগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।