ওয়াশিংটন : চাঁদের মাটিতে খনিজ পদার্থের সন্ধান করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এজন্য বিভিন্ন দেশের বেসরকারি সংস্থাকে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে তাঁরা। চন্দ্রপৃষ্ঠের সেই খনিজ পৃথিবীতে এনে বাজারজাত করারও পরিকল্পনা রয়েছে নাসার।

এই প্রক্রিয়াতেই বিভিন্ন দেশের বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ডাকা হয়েছে, যাতে ওই খনিজের বিক্রি বা সেটিকে বাজারজাত পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে তারা সাহায্য করে।

২০২৪ সাল থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করার ইচ্ছা রয়েছে নাসার। এতে পৃথিবীর খনিজ পদার্থের উৎস সন্ধানের প্রক্রিয়ায় সুবিধা হবে বলে নাসা মনে করছে। নাসার লক্ষ্য ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে প্রথম মহিলা মহাকাশচারী ও পুরুষ মহাকাশচারীকে পাঠানো। সেই প্রকল্পের মাধ্যেই চাঁদের খনিজ খনন শুরু করতে চাইছে নাসা।

নাসার পক্ষ থেকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জিম ব্রাইডেনস্টাইন একটি ব্লগে লেখেন নাসা শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই কোম্পানি নয়, গোটা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি ফার্ম গুলিকে আহ্বান জানাচ্ছে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য। এই কোম্পানিগুলি চাঁদের ধুলো থেকে বা পাথর থেকে খনিজ পদার্থের উপস্থিতি সন্ধান করবে। তারপর খনিজ পদার্থের উৎস সন্ধান করবে নাসা।

উল্লেখ্য, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, পটাসিয়াম, টাইটানিয়াম, লোহা, নিকেল তো রয়েছে চাঁদের মাটিতে। চাঁদের বালিকণাতেও রয়েছে একাধিক খনিজের উপস্থিতি। এমনকী সোনা, প্ল্যাটিনামের মতো বহু মূল্যবান ভারী মৌলেরও প্রচুর পরিমাণে মিশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে চন্দ্রপৃষ্ঠে। তাই খনিজের সন্ধান দিতো পারলে নাসা সেই কোম্পানিকে ১৫ থেকে ২৫ হাজার ডলার দেবে।

শিল্পগোষ্ঠী কমার্শিয়াল স্পেশফ্লাইট ফেডারেশন গোটা প্রক্রিয়ায় বেশ উৎসাহিত। তারা নাসার এই পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। বিভিন্ন দেশের কোম্পানিকে আহ্বান জানিয়ে নাসা বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মনে করছে তাঁরা। এই কাজে বেশ আগ্রহী তাদের কোম্পানি বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I