ওয়াশিংটন: মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা (NASA) মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে তার মিনি-হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি উড়ানোর অডিও ও ভিডিও প্রকাশ করেছে। এই মিনি হেলিকপ্টারটি পঞ্চমবার সফলভাবে নিজের উড়ান সম্পন্ন করেছে। এটি রাইট ব্রাদার্স ফিল্ড থেকে ১২৯ মিটার দূরে অন্য একটি এয়ার ফিল্ডে উড়েছে । ১০ ​​মিটার উচ্চতায়ও উড়তে সক্ষম হয়েছে এবং মাটিতে নামার আগে কিছু ছবিও নিয়েছে। এই ভিডিও-অডিওটি মঙ্গলযান পারসিভেরান্স রোভার (Perseverance Rover) রেকর্ড করেছে।

এই ভিডিওটিতে মঙ্গল গ্রহের বাতাসের একটি মিষ্টি গুনগুন শব্দ শোনা গিয়েছে। ভিডিও ফ্রেমের ডানদিকে হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি (Ingenuity helicopter) উড়ছে তা দেখা গিয়েছে। হেলিকপ্টারটি যখন উড়ছে তখন বাতাসের গুনগুন শব্দ বেড়ে যাচ্ছে। এই সময়ে, হেলিকপ্টারটি ২,৫৩৭ আরপিএম এ ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠে যাচ্ছে। পারসিভেরান্স রোভার (Perseverance Rover)-এ থাকা জেড ডিভাইসটি এই ভিডিওটি ধারণ করেছে। এই ক্যামেরার সাহায্যে আগেও অনেকগুলি ছবি এবং ভিডিও পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে সেগুলিতে কখনও অডিও ছিল না। এবার অডিও সমেত ভিডিও সামনে এল।

রোভারে লাগানো সুপারক্যাম মাইক্রোফোন নিয়ে স্পেস এজেন্সির এক আধিকারিক ডেভিড মিমন বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে পরিচালিত পরীক্ষা থেকে আমরা অনুভব করেছিলাম যে, মাইক্রোফোনটি দক্ষতার সাথে উড়ানের শব্দটি রেকর্ড করতে সক্ষম হবে। তবে মঙ্গলে হেলিকপ্টারটির ব্লেড এবং বাতাসের শব্দ শুনে আমি অবাক হয়েছি। মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ বুঝতে, এই রেকর্ডিং কোনও সোনার খনি থেকে কম নয়।

প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের জন্য মঙ্গলে উড়েছিলনাসার হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি (Ingenuity) । হেলিকপ্টারটির উড়ানের ভিডিয়ো ধরা পড়েছিল মঙ্গলযান পারসিভেরান্স-এর (Perseverance) ক্যামেরায়। সেখানে নাসার মাটি ছেড়ে উড়তে দেখা গিয়েছিল ইনজেনুইটি-কে। মঙ্গলের মাটি থেকে প্রায় ১ তলা (১০ ফুট) উপর পর্যন্ত সোজা উপরে উঠে যায় হেলিকপ্টারটি। এরপর ধীরে ধীরে আবার নেমে আসে। মোট ৩০ সেকেন্ডের উড়ান ছিল ইনজেনুইটির।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.