নিউইয়র্ক: নাসার ফার্মি গামা-রে স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়ল গামা রশ্মি ব্লাজারস্‌। এটি হল এক প্রকার ছায়াপথ যেটির তীব্র নির্গমনে বিশালাকার ব্ল্যাক-হোলগুলি শক্তি সঞ্চার করে। মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গোদার্দ স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের এক জ্যোতির্বিদ রূপেশ ওঝা জানান যে এই ব্ল্যাক-হোলগুলি বিশালাকার ও খুবই শক্তিশালী।

এই বিশ্বলোকের বয়স যখন ১.৪ বিলিয়ন বছর ছিল, তখন এই বিশ্বলোকের সবথেকে দূরের বস্তুটি থেকে পৃথিবীর দিকে আলোর যাত্রা শুরু হয়। ফার্মি টেলিস্কোপে ধরা পড়া এই ব্লাজার, যেটি সবথেকে দূরে অবস্থান করে, সেটি যখন আলো দেওয়া শুরু করে তখন বিশ্বলোকের বয়স ছিল ২.১ বিলিয়ন বছর। ওয়াশিংটনে অ্যামেরিকান ফিজিকাল সেন্টারে এই নিয়ে আলোচনার সময় রূপেশ ওঝা বলেন, যে তাঁরা এরকম বিশালাকার ব্ল্যাক-হোল আরও আবিষ্কার করতে চান, যাতে বোঝা যায় যে কিকরে এই ব্লুয়াক হোল গুলি তৈরি হয় এবং বড় হতে থাকে।

এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে, ব্লাজারের মধ্যে গামা রশ্মির উৎসের অর্ধেক থাকে। জ্যোতির্বিদরা মনে করেন যে, এই ব্লাজারের এই তীব্র নির্গমন হয় ব্ল্যাক হল থেকে সৃষ্টি হওয়া তাপ এবং শক্তি থেকে। বিশ্বলোকের বয়সের তুলনায় এই ব্ল্যাক হোলগুলির আকার অনেক বড়। কিন্তু এইটুকু সময়ের মধ্যে এই ব্ল্যাক-হোল গুলির আকার কিভাবে এতবড় হল সেই দিকেই নজর রাখছেন নাসার জ্যোতির্বিদ ও বিজ্ঞানীরা।

যেই ব্লাজার দুটিকে নাসার ফার্মি গামা-রে টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেছে, সেগুলির শক্তির উৎস এই ব্ল্যাক হোলগুলি। এই ব্লাজার গুলি টেলিস্কোপে ধরা পড়ার ফলেই, এই ব্ল্যাক হল গুলির শক্তি ও আকার সম্পর্কে আন্দাজ করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। এবার তারা তাই ব্ল্যাক হোলগুলির উপরই নজর রাখবেন বলে ঠিক করেছেন।