ওয়াশিংটন:  ওরা এসেছিল৷ জয় করে নিয়েছিল বিশ্বকে৷ নক্ষত্র যুদ্ধে ভিনগ্রহীদের কাছে পরাজিত হয়েও বিশ্বের মানুষ পরে জয়ী হয়েছিল৷ এ তো কাল্পনিক স্টার ওয়ারের কথা৷ আসলটা হল এই রকম মহাকাশে খোঁজ মিলল এক ‘এলিয়ান নক্ষত্র মণ্ডলের’ ৷ সেখানে কারা আছে? উঠছে এমন প্রশ্ন৷

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা জানাচ্ছে, নতুন এই নক্ষ্ত্র মণ্ডলের কেন্দ্র সূর্যের থেকে শক্তিশালী নক্ষত্র আছে৷ আটটি গ্রহ নিয়ে মহাকাশে ঘুরে চলেছে এই নক্ষত্র পরিবার৷ যাকে মহাকাশবিজ্ঞানীরা চিহ্নিত করেছেন কেপলার ৯০ নামে৷

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যেটি আয়তনে সূর্যের থেকে বড়৷ এই বিশেষ গ্রহটির নাম কেপলার ৯০৷ এমনকি সূর্যের থেকে এটি অনেক বেশি গরমও৷ পৃথিবী থেকে এই গ্রহটি প্রায় ২,৫০০ আলোকবর্ষ দূরে৷ যেটি দেখতে একেবারেই সৌরমণ্ডলের মত৷ আটটি গ্রহ নিয়ে তৈরি এই মণ্ডল৷ এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে গবেষকদের গবেষণায়৷ আটটি গ্রহের মধ্যে আপাতত একটি গ্রহের হদিশ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ যে গ্রহের তাপমাত্রা প্রায় ৪২০ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ পাথুরে এই জমির উষ্ণতা বুধের তাপমাত্রার কাছাকাছি৷ এই গ্রহটিও তার নক্ষত্রকে পরিভ্রমণ করতে সময় লাগছে প্রায় ১৪দিন৷ তবে, বিশেষ নক্ষত্রকে ঘিরে থাকা আরও সাতটি গ্রহের হদিশ মেলেনি এখনও৷

তবে, এলিয়ানদের তৈরি এই বিশেষ মণ্ডলটি ঠিক কতটা বড়? সেই প্রসঙ্গে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব যতটা৷ এই নক্ষত্রমণ্ডলের দৈর্ঘ্যও ঠিক ততটাই৷ কেপলার প্ল্যানেট হান্টিং টেলিস্কোপ মারফত কেপলার৯০র হদিশ মিলেছে৷ স্পেস রক থেকে অনবরত বিজ্ঞানীদের কাছে এসে জমা হচ্ছে সিগনাল৷ রেডিও টেলিস্কোপ মারফত মহাকাশ থেকে সিগন্যাল আসছে নাসা বিজ্ঞানীদের হাতে৷ যে টেলিস্কোপটির নাম আউমুয়ামুয়া৷

এই সমস্ত সিগন্যাল গুলোতেই ধরা পরেছে বেশ কিছু অদ্ভুত সিগন্যাল৷ যেগুলি থেকেই বিজ্ঞানীরা সন্দেহ করছেন এখানে প্রাণের হদিশ মেলার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে৷ যেগুলি এলিয়ান বলেই সন্দেহ করছেন বিজ্ঞানীরা৷ এমনকি সিগনালে ধরা পরেছে এলিয়ান ভেইকেলেরও৷ আপাতত এই সমস্ত সিগনাল গুলো থেকেই পর্যালোচনা করছেন বিজ্ঞনীরা৷ কেপলার৯০-তে কি সত্যিই এলিয়ানদের বাস রয়েছে? তা দেখতে উদগ্রীব গোটা বিশ্ব৷