নয়াদিল্লি: নরেন্দ্র মোদীর বার্তা নীরব মোদীকে৷ বিরোধীদের প্রচার ভোঁতা করতে গিয়ে নিজেই ব্যাকফুটে প্রধানমন্ত্রী৷ ব্যাংক ঋণ খেলাপি নীরবকে চৌকিদার মোদী দেশ গঠনের আহ্ববান জানিয়েছেন৷ প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটারেই জ্বলজ্বল করছে নীরবের প্রতি সেই বার্তা৷

আরও পড়ুন: অবাঙালি ভোটারদের মন জিততে হোলি উৎসবে যাবেন মমতা

দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ ভোটের আগে সেই প্রচারকে ছড়িয়ে দিতে ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ অ্যাপের সূচনা করেছেন শনিবার৷ সেখানে দেশের প্রত্যেক বাসিন্দাকেই চওকিদার বলে উল্লেখ করেছেন তিনি৷ যা ঘিরে বিজেপি শিবিরের উল্লাস৷ কিন্তু বিকেল গড়াতেই তা হয়ে উঠল কাঁটা৷

দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ট্যুইট অ্যাকাউন্ট থেকে বার্তা পাঠানো হয় দেশের বহু বিশিষ্ট জনকে৷ দেখা যাচ্ছে সেই বার্তা পৌঁছে গিয়েছে লন্ডনে গা ঢাকা দেওয়া হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদীর কাছেও৷ ট্যুইটে লেখা, নীরব মোদী, আপনার যোগদান ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ আন্দোলনকে শক্তিশালী করল৷ দেশ গঠন, উন্নয়নকে সুরক্ষিত করবে এই আন্দোলন৷ দেশ থেকে সন্ত্রাস, ক্ষরা, দুর্নীতি, দারিদ্রতা সহ সব অশুভকে দূর করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব৷

বিকেল তিনটে নাগাদ এই ট্যুইট সামনে আসতেই শুরু হয় বিরুদ্ধ প্রচার৷ গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত নীরব মোদীর যোগের প্রমাণ জোড়দার হতে থাকে৷ বিষয়টিকে ঘিরে নড়েচড়ে বসে কেন্দ্রের শাসক শিবির৷ জানানো হয় প্রদানমন্ক্রীর ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে অটো পুশ দেওয়ার ফলেই এই কাণ্ড৷

ততক্ষণে অবশ্য যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে৷ ওই ট্যুইটকে সামনে রেখে বিজেপির আসল রূপ খুলে দিতে সচেষ্ট হয় বিরোধী শিবির৷ ওমর আবদুল্লা ট্যুইটে পালটা লেখেন সত্যিই কি চৌকিদার স্লোগান প্রচার করতে প্রধানমন্ত্রী নীর মোদীকে আব্হবান জানাচ্ছেন৷ কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীও বিষয়টিকে ‘ভালো’ বলে কটাক্ষ করেন৷

শনিবার সকালে একটি ভিডিও শেয়ার করে ট্যুইট করেন মোদী৷ ভিডিওতে মোদী সরকার পাঁচ বছরে কী কী কাজ করেছে তার ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ হ্যাশট্যাগ দিয়ে মোদী লেখেন ম্যায় ভি চৌকিদার৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি সবাইকে ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ ক্যাম্পেনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান৷ ট্যুইটটি পোস্ট করার মুর্হূতের মধ্যে সেটি ২৫ হাজার বার রিট্যুইট হয়েছে৷ ৭৫ হাজার লাইক পড়েছে৷ সময় যত বাড়বে লাইক শেয়ারের সংখ্যাও তত বাড়তে থাকে৷ সঙ্গে বিতর্কও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।