কলকাতা: একুশের মঞ্চ প্রস্তুত। সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সভা-মঞ্চ আলো করে হাজির বাঙালির অন্যতম আইকন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ব্রিগেডে টলিউডের একঝাঁক তারকা। তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় একুশের ভোটে পদ্ম ফোটাতে মরিয়া বিজেপি ব্রিগেড। সেই লক্ষ্যেই আজ ব্রিগেডের মাঠে জনসভা মোদীর।

# শহরে গেরুয়া উত্তাপ, কলকাতায় মোদী

# কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

# কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্রিগেডে মোদী

#বিমানবন্দর থেকে কপ্টারে রেসকোর্সের মাঠে যাবেন মোদী

#বিমানবন্দর থেকে কপ্টারে রেসকোর্সের পথে মোদী

#রেসকোর্সের মাঠ থেকে ব্রিগেডে যাবেন মোদী

# ব্রিগেডের মাঠে বিজেপির সভায় প্রধান বক্তা নমো

#‘আজকের দিনটা স্বপ্নের মতো’, ব্রিগেডের সভায় বললেন মিঠুন চক্রবর্তী

# মোদীর সঙ্গে একমঞ্চে আমি, এটাতো স্বপ্ন: মিঠুন চক্রবর্তী

# জীবনে অনেক কিছু করার স্বপ্ন দেখেছি: মিঠুন চক্রবর্তী

# আমি যা বলি তা করে দেখাই: মিঠুন চক্রবর্তী

# এক ছোবলে ছবি, ব্রিগেডের মঞ্চে মিঠুনের নয়া ডায়লগ

# আমি গর্বিত, আমি বাঙালি: মিঠুন চক্রবর্তী

#আমি জলঢোঁড়া নই, বেলেঢোঁড়া নই, আমি জাত গোখরো: মিঠুন চক্রবর্তী

# কলকাতায় নেমে টুইট মোদীর

# কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্রিগেডে পৌঁছবেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে নিয়ে আসছেন তিনটি হেলিকপ্টার।

# মোদীর কপ্টার দেখা যেতেই উঠল জয় শ্রী রাম ও ভারত মাতা কি জয় স্লোগান।

# রেসকোর্সে নামল মোদীর কপ্টার

# কয়েকদিনের মধ্যে নকুন সরকার আসছে: দেবশ্রী

# কোনও খেলা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে হবে না: দেবশ্রী

# পশ্চিমবঙ্গ দেখেছে সন্তানকে হত্য়া করে মাকে রক্তমাখা ভাত খাওয়ানো, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের খেলা, ৮২ বছরের মাকে মেরে রক্তাক্ত করার খেলা। এবার পশ্চিমবঙ্গে কোনও খেলা হবে না। উনন্য়ন হবে, শিল্প হবে, কর্মসংস্থান হবে: দেবশ্রী

# ভাইব্রেন্ট গুজরাট আমরা বানিয়েছি। যারা বিজেপি শাসিত রাজ্যে পড়তে চাইছে তাদের জিজ্ঞাসা করুন, যারা কাজ করতে হরিয়ানা মধ্যপ্রদেশে যাচ্ছে তাদের জিজ্ঞাসা করুন উন্নয়ন কাকে বলে: দেবশ্রী

# ব্রিগেড সমাবেশে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

# সভা থেকে হাত নেড়ে সবাইকে অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী

# উত্তরীয় দিয়ে মোদীকে স্বাগত জানালেন দিলীপ ঘোষ

# মোদীকে উত্তরীয় পরালেন মিঠুন চক্রবর্তী

# ২ বছর আগে লোকসভায় ৫০ শতাংশ আসন জিতিয়ে দেব। বাংলার মানুষ আশীর্বাদ করে প্রায় অর্ধেক আসন দিয়েছেন আমাদের: দিলীপ

# এই নির্বাচনে ২০০ সিট নিয়ে বিজেপি সরকার গড়ার আবেদন দিলীপের

# ভারত মাতা কি জয় ও বন্দেমাতরম বলে বক্তব্য শুরু মোদীর

# শত শত ব়্যালি দেখেছি। কিন্তু এত বড় জনসমাবেশের আশীর্বাদ আজ দেখলাম: মোদী

# বাংলার মাটি জ্ঞান বিজ্ঞানে ভারতের গৌরব বাড়িয়েছে, স্বাধীনতায় দিশা দিখিয়েছে

# বাংলা যেমন একদিকে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থান, অন্যদিকে সুভাষচন্দ্রের জন্মস্থান, একদিকে অরবিন্দের জন্মস্থান, অন্যদিকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মস্থান। এটি পুরো ভারতের প্রেরণা ক্ষেত্র।

# বাংলার মহান ভূমির যে হাল করা হয়েছে তা ভোগ করেছে বাংলার মানুষ। বাংলার মানুের মহানুভবতা যে তারা কখনও পরিবর্তনের আশা ছাড়েনি। পরিবর্তনের জন্য মমতার উপর ভরসা করেছিল বাংলার মানষ। কিন্তু দিদি ও তার ক্যাডার স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। বাংলার বিশ্বাস ভেঙেছে ওরা। বাংলাকে অপমানিত করেছে। কিন্তু বাংলার মানুষের আশা ভাঙতে পারেনি।

# “বাংলা চায় উন্নতি, বাংলা চায় শান্তি, বাংলা চায় প্রগতিশীত বাংলা, বাংলা চায় সোনার বাংলা”, বাংলায় বললেন মোদী

# আজ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিতে লক্ষ লক্ষ লোক এসেছে

# মিঠুনের সফলতার পূণ্য তিনি লোকনাথ বাবার আশীর্বাদে সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন

# ভারত মাতার আশীর্বাদে সোনার বাংলার সংকল্প অবশ্যই সিদ্ধ হবে

# এখানে প্রতি ব্যক্তি আমাদের মা, বোন। তারা আসল পরিবর্তনের জন্য এসেছে

# বাংলার যুব, কৃষক, উদ্যমী, বোনেদের বিকাশের জন্য আমরা ২৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করব। প্রতি মুহূর্ত আপনাদের জন্য বাঁচব। কাজ, সেবার মাধ্যমে আপনাদের মন জিতে নেব

# বিজেপির যে সরকার হবে বাংলার লোকদের হিত সবার আগে থাকবে

# আসল পরিবর্তনের মন্ত্র প্রেরণা

# আসল পরিবর্তন মানে যেখানে শিক্ষা ও কর্মস্থান থাকবে। যেখানে মানুষকে পালাতে হবে না। যেখানে ব্যবসা বাড়ে। যেখানে আধুনিক পরিকাঠামো হবে। যেখানে গরীবদের এগোনোর সুবিধা থাকবে। যেখানে সবক্ষেত্রে বরাবর ভাগিদারি থাকবে। উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গে আদিবাসী শরণার্থী সবার উপরেরই নজর দেওয়া হবে।

# সবকা সাথ সবকা বিকাশ মন্ত্র হবে: মোদী

# স্বাধীনতার পর থেকে বাংলা যা হারিয়েছে বাংলা থেকে যা কেড়ে নেওয়া হয়েছে তা আপনারা আমার চেয়ে ভাল জানেন। আমার সংকল্প যা কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাংলা থেকে সেগুলো ফেরত দেওয়া হবে।

# সামনের ২৫ সাল গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রধন ধাপ এই বিধানসভা নির্বাচন

# ৫ বছরের বংলার বিকাশ ২৫ বছরের আধার হবে। তাই শুধু বাংলায় সরকার বানানোর ভোট দেবেন না। বাংলাকে বিকাশের নতুন ধাপে ওঠাতে ভোট দেবে।

# দেশ যখন স্বাধীনতার ১০০ সাল উদযাপন করবে তখন বাংলা ফের সবাইকে দিশা দেখাবে।

# বিজেপি সরকার এই চিন্তাধারা নিয়েই এগোবে

# কলকাতাকে সিটি অফ ফিউচার বানানোর আহ্বান। বাঙালিরা চায় সেরা শহরগুলির মধ্যে কলকাতা আসবে। তার জন্য কাজ করবে বিজেপি।

# কলকাতা মেট্রোর বিস্তার দ্রুত হচ্ছে

# অনেক কাজ এখনও আটকে আছে। সেগুলো বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে গতি পাবে

# স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের কাজ করবে বিজেপি। নতুন উড়ালপুর হবে

# কলকাতায় ঝুপড়িতে থাকা মানুষদের পাকা বাড়ি হবে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ফল পাবে মানুষ

# বাংলার অন্য শহরের পরিকাঠামো আধুনিক হবে। শিক্ষা, কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি মোদীর

# ফুট প্রসেসিং সহ একাধিক উদ্যোগের প্রতিশ্রুতি

# রাষ্ট্রীয় শিক্ষানীতি আনা হবে

# ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনোলজির বা ডাক্তারি বাংলায় পড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে

# অনেক বছর নষ্ট হয়েছে এবার বাংলাকে নষ্ট করার অধিকার কাউকে দেওয়া উচিত নয়। তাই আসল পরিবর্তনের কথা বলছি: মোদী

# বাংলার মানুষের সঙ্গে কী ছল করা হচ্ছে তা যেন তারা না ভোলে

# স্বাধীনতার পর কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছিল। তখন কাজ হয়েছে। কিন্তু পরে বাংলার ভোটব্যাঙ্কে রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। একে বাড়িয়েছে বামপন্থী। তারা বলত “কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও”। এই স্লোগান দিয়ে বাম মসনদে এসেছিল। তিন দশক ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু সেই কালো হাতের কী হল? যে হাত বামেরা ভাঙার কথা বলত আজ তারই আশীর্বাদ নিয়ে তারা চলছে

# বামের পর মমতা পরিবর্তনের কথা বলে। মা মাটি মানুষের হয়ে কাজের প্রতিজ্ঞা বলেছিল। কিন্তু গত ১০ বছরে এখানে তৃণমূল সরকার সেই পরিবর্তন আনতে পেরেছিল যে আশা করেছিল বাংলার মানুষ?

# বাংলার স্কুল, হাসপাতাল, কর্মসংস্থানে কোনও পরিবর্তন এসেছে?

# সম্প্রতি ৮০ বছরের মায়ের সঙ্গে যা হয়েছে তা গোটা ভারত দেখেছে।

# “আর নয় অন্যায়”, স্লোগান তুললেন মোদী।

# কাটমানি, বেকারত্ব, হিংসা, আতঙ্ক, কালোবাজারির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেন মোদী

# বাংলার মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, তারা আপনাকে দিদির ভূমিকায় বেছেছিল। কিন্তু আপনি নিজেকে একটাই ভাইপোর পিসির মধ্যে কেন সীমিত করে দিলেন? : মোদী

# তৃণমূলের নতুন স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ মোদীর। বললেন, “আপনি তো বাংলার নয়, গোটা দেশের মেয়ে।”

# নন্দীগ্রাম নিয়েও মমতাকে খোঁচা

# মমতার স্কুটি চালানো নিয়ে কটাক্ষ মোদীর। স্কুটি থেকে পড়ে গেলে যে রাজ্যে স্কুটি তৈরি তাদেরই শত্রু ঠাউরে বসতেন

# আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগে এই মাটিকে প্রণাম। এই মাটি রানি রাসমণি, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কামিনী রায়ের মতো নারী দিয়েছে ভারতকে।

# বাংলায় যে জনধন খাতা হয়েছে তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মহিলা। দেশের গরীর বোনেদের গ্যাস দিয়েছিল আমরা। করোনার সময় কাজে এসেছে। করোনার সময় বিনামূল্যে গ্যাস দেওয়া হয়েছে। দেড় বছর আগে সব ঘরে জল পৌঁছনোর কাজ করেছে।

# অনেক জায়গায় আর্সেনিক যুক্ত জল মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। তাই জল জীবন যোজনার প্রয়োজন। কেন্দ্র যে টাকা পাঠাচ্ছে তার বড় অংশ এখানকার সরকার খরচ করেনি। রাজনীতি করছে

# অনেক যোজনার টাকা রাজ্য সরকার সিন্দুকে তুলে রেখেছে। দিদি কাজ করবেনও না করতে দেবেনও না।

# বলা হয় মোদী বন্ধুদের জন্য কাজ করে। ছোট থেকে যাদের মধ্যে আমরা বড় হই তারা বন্ধ হয়। আমি দারিদ্রতার মধ্যে বড় হয়েছি। আজ তারা ভারতের যেখানে থাকুক তারা আমার বন্ধু।

# বাজেটে চা ওয়ালাদের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। কারণ ওরা আমার বন্ধু

# করোনার সময় আমি আমার বন্ধুদের বিনামূল্য রেশন দিয়েছি, গ্যাস দিয়েছি। করোনার টিকা এত দামী। কিন্তু বন্ধুদের জন্য আমি তা বিনামূল্যে করে দিয়েছি। আপনারাই আমার বন্ধু

# পশ্চিমবঙ্গের বন্ধুদের জন্য আমি অনেক কাজ করতে চাই

# আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা দিতে চাই, রাজ্য সরকার আটকাচ্ছে

# এখন সবদিকে একটাই আওয়াজ টিএমসির খেলা শেষ। খেল খতম, বিকাশ শুরু: মোদী

# ভয় পাবেন না। নির্ভয়ে বিজেপিকে ভোট করুন। বাংলা উন্নতি চায়। উন্নতির জন্য ভোট করুন। বললেন মোদী

# রাগে আমাকে রাবণ বলছে, কখনও দানম বলছে, কখনও গুণ্ডা বলছে। এত রাগ কেন দিদি? প্রশ্ন তুললেন মোদী

# আজ যদি বাংলায় পদ্ম ফোটে তবে পাঁক আপনার দল।

# দিদিকে আমি অনেক বছর ধরে চিনি। এ ওই দিদি নয় যে বামফ্রন্টের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন। তাঁর রিমোট কন্ট্রোল অন্য কোথাও। তাই এমন কথা বলছে যা বাংলার সংস্কৃতি বিরুদ্ধ।

# তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মই তো কংগ্রেসে। এদিকে বিজেপির স্থাপনার প্রেরণাতেই বাঙালি। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।

# বিজেপির উপর বাংলার ঋণ রয়েছে। বিজেপি তা মেটাতে পারবে না। কিন্তু বাংলার বিকাশ ঘটাতে পারবে।

# লোকসভায় টিএমসি হাফ, আর এবার পুরো সাফ: স্লোগান মোদীর

# বাংলার ভয় ২ মে-র পর আর থাকবে না

# সরকার কর্মচারিদের বলছি, ভয় ছাড়া এগিয়ে এসে কাজ করুন: মোদী

# ভেটারদের বললেন , “জোর সে ছাপ টিএমসি সাফ”

# বন্দেমাতরম ধ্বনির মধ্যে দিয়ে বক্তব্য শেষ করলেন মোদী

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.