ইসলামাবাদ: কাশ্মীর থেকে স্পেশাল স্টেটাস তুলে নিয়েছে ভারত। আর তারপর থেকেই ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। দফায় দফায় বৈঠক, চিন-আমেরিকায় ফোন- এসবই করে চলেছে ইসলামাবাদ। ইমরান খান,শাহ মেহমুদ কুরেশিদের মুখে শুধুই ভারতকে আক্রমণ। এমনকি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিতেও শোনা গিয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী। এবার নেহরুর সেন্টিমেন্টকে তাস করতে চাইছেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী।

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে শনিবার পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি বলেন, ‘নেহরুর ভারতকে কবর দিচ্ছেন মোদী।’ এদিন কাশ্মীর নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসে পাকিস্তান। আর তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুরেশি বলেন একথা। দোভালের তত্ত্বের উপরেই ভারতের পলিসি চলছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গত ৬ অগস্ট পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ‘কাশ্মীর কমিটি’ নামে একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করেছেন। এদিন ছিল সেই কমিটি প্রথম বৈঠক। এই ইস্যু নিয়ে আগামিদিনে কীভাবে এগোনো যায়, তা নিয়েই আলোচনা হয় এদিন।

শুক্রবার এই ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। চিন ও পাকিস্তানের যৌথ চিঠি গিয়েছিল রাষ্ট্রসংঘে৷ দুই দেশেরই দাবি কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের ভূমিকা অনৈতিক৷ সেই বিষয়ে আলোচনা করুক রাষ্ট্রসংঘ৷ দাবি মেনে ১৯৬৫ সালের পর এই প্রথম রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ৷

এর আগে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে ইমরান খান বলেন, ‘ভারত পাক অধিকৃত কাশ্মীর আক্রমণ করলে পাকিস্তান তার জবাব দেবে৷ পাশাপাশি তিনি টুইট করে আরএসএস মতাদর্শকে ‘ভয়ঙ্কর’অ্যাখ্যা দিয়ে নাৎসীদের সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং সেই জন্যই ৩৭০ ধারা বাতিল হয়েছে৷

ইমরান দাবি করেন , পাক সেনা জানে ভারত পরিকল্পনা করেছে আজাদ কাশ্মীরে আক্রমণ করার৷ তাঁর বক্তব্য, তারাও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যদি ভারত কোন রকম চুক্তিভঙ্গ করে তাহলে তারা যুদ্ধ করে শেষ দেখে ছাড়বেন৷ তখন সারা দেশই পাক সেনার পিছনে থাকবে৷ মুসলিমরা আল্লা ছাড়া কারও কাছে মাথা নোয়ায় না৷ ভারতের তেমন কোনও প্রবণতা থাকলে মোদী উচিত শিক্ষাই পাবেন বলে জানিয়েছেন ইমরাণ৷