নয়াদিল্লি: আজকাল অনেকেই মশকরা করে বলছেন সামনেই বিয়ের মরসুম, উপহার হিসেবে পেঁয়াজ দিলে নেহাত মন্দ হবে না। বাজারে গেলেও পেঁয়াজকে এড়িয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে ভাবছেন আমজনতা।
কেননা যে হারে দাম বাড়ছে পেঁয়াজের কয়েকদিনের মধ্যে সোনার মত দামী হয়ে যেতে পারে বলেও মশকরা করছেন সাধারণ মানুষ।

তবে আশা করা যাচ্ছে এই অবস্থার দ্রুত উন্নতি ঘটবে। কেননা মোদী সরকার তুরস্ক এবং ইজিপ্ট থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে চলেছে। জানা গিয়েছে ১১ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ তুরস্ক থেকে এবং ৬০৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ইজিপ্ট থেকে আমদানি করবেন বল জানা গিয়েছে। ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

ইজিপ্ট থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই তা দেশে এসে যাবে বলেও জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মিনিস্টার অফ ফুড অ্যান্ড সিভিল সাপ্লাইসের ইমরান হুসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম বিলাস পাসোয়ানকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেন যাতে তিনি ন্যাশানাল অ্যাগ্রিকালচার কো অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডেরেশনকে ১৫.৬০ টাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বাজারে আনে। যাতে সাধারণ মানুষ একটু হলেও রেহাই পায়।

এছাড়াও অন্যান্য রাজ্য যেমন উত্তর প্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ সহ আরও কয়েক জায়গাতে পেঁয়াজের দাম ভয়ঙ্কর ভাবে বেড়েছে। কোথাও প্রতি কেজি ১০০ টাকা কোথাও তারও অধিক।

২০ নভেম্বর ইউনিয়ন ক্যাবিনেট বিশেষ বিশেষ শহর গুলিতে পেঁয়াজের দাম কমানোর লক্ষ্যে ১.২ লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানি করার পদক্ষেপ নিয়েছিল। যাতে বাজারে পেঁয়াজের দাম নাগালের মধ্যে থাকে।

আর পেঁয়াজের দাম কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী এবং আরও কয়েক শীর্ষ নেতা মিলে বিশেষ কমিটি গঠন করেছিলেন এবং কড়া নজর রাখছিলেন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।