ফাইল ছবি৷

কলকাতা: মঙ্গলবার সকালে আমেদাবাদের গান্ধীনগর কেন্দ্রে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ আমেদাবাদ কেন্দ্রের রনিপ এলাকায় নিশান বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন ভোট দিতে যান তখন তার পিছনেই ছিলেন ওই কেন্দ্রের প্রার্থী অমিত শাহ৷ এরপর অমিত এবং তাঁর স্ত্রী সোণাল শাহ নারায়নপুরার একটি বুথে গিয়ে ভোট দেন।

সোমবারই আমেদাবাদের জেলা কালেক্টর বিক্রান্ত পাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী বুথ পর্যবেক্ষণ করেন৷ নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা, অমিত শাহর অঙ্ক, বিজেপির সাফল্য – জাতীয় রাজনীতির ময়দানে এটাই চেনা চিত্র৷ তবে রাজনৈতিক মহল বিশ্বাস করে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ ছকভাঙা রাজনীতিতেই দেশকে দেখিয়েছেন ৷ সহজেই নিতে পেরেছেন আটকে থাকা বির্তকিত সিদ্ধান্ত৷ অমিত শাহ নেপথ্যে থাকতে পছন্দ করতেন৷ কিন্তু, মোদী জমানায় বিজেপির সাফল্য-ব্যর্থতার হোতা অমিত এবার নিজেই নেমেছেন লোকসভা ভোটযুদ্ধে৷ জীবনে প্রথমবার

গান্ধীনগর থেকে জীবনে প্রথমবার লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন অমিত৷ গান্ধীনগর থেকে একসময় জিতে সংসদে গিয়েছেন অটল বিহারি বাজপেয়ি এবং লালকৃষ্ণ আদবানি৷ গেরুয়া রাজনীতিতে ‘প্রতিষ্ঠানসম’এই দুই ব্যক্তিত্বকে এক সময় জিতিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে গান্ধীনগরের জনতা৷ অটল পরলোকে, আদবানি অস্তমিত সূর্য – বিজেপিতে মোদী-শাহ জমানা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ গান্ধীনগরও নতুন প্রার্থী পেয়েছে – অমিত অনীলচন্দ্র শাহ৷ অনেকেই বলেছেন, বিজেপির শক্ত জমি গান্দীনগরে অটল-আদবানিকে সরিয়ে গেরুয়া আকাশে সর্বেসর্বা হিসেবে উদয় হয়েছেন শাহ-মোদী৷

এমন নয় যে অমিত নিজেকে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে রেখেছিলেন৷ জোট তৈরি থেকে প্রার্থী বাছাই, সংগঠন থেকে রণনীতি – বিজেপির ছোটবড় সব বিষয়েই নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত৷ মোদীর সঙ্গে মঞ্চ দেখা গিয়েছে অমিতকে৷ রাজনৈতিক জনসভায় দলের বার্তাকে প্রচার করেছেন৷ টেলিভিশনেও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন৷ গেরুয়া রাজনীতির চাণক্যে এবার আর রাজ্য সভার সাংসদ হিসেবে নয়, জনতার ভোটে জিতে সংসদে যেতে চান৷ অন্যদিকে দেশের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, কর্ণাটকের রাজ্যপাল ভাজুভাই ভালা এবং সিনিয়ার কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেল গুজরাটেই নিজের নিজের বুথে ভোট দেবেন৷