স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কান টানতেই জালে উঠে এলো চক্রের পান্ডা৷ সৌজন্যে, একটি নিরীহ ক্যুরিয়র৷
আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের দুই পাণ্ডাকে আগেই গ্রেফতার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর গোয়েন্দারা(এনসিবি)৷ এবার একটি ক্যুরিয়রের সূত্র ধরে চক্রের মুল মাথাকেও জালে পুড়লেন গোয়েন্দারা৷ এনসিবি সূত্রের খবর: বৃহস্পতিবার রাতে নাসিক থেকে কমলেশ বাস্তে নামে ওই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, কমলেশ রীতিমতো শিক্ষিত৷ বছর দু’য়েক আগে পড়াশুনার পাট চুকিয়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বছর কুড়ির কমলেশ৷ বারো ক্লাস অবধি পড়ার পর মাঝে কিছু কোর্সে ভরতিও হয়েছিল সে৷ পড়তে পড়তেই মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে৷ ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের পান্ডা হয়ে ওঠে৷ তার অধীনে কাজ করত নিলয় ঘোষ এবং জেরম ওয়াটসন৷ সেই শাগরেদদের ধরেই চক্রের মাথা অবধি পৌঁছে যায় গোয়েন্দারা৷

কীভাবে? এক তদন্তকারী আধিকারিক জানান, চলতি বছর জানুয়ারি মাসে সোর্স মারফৎ খবর পেয়ে নিলয় ও জেরমকে গ্রেফতার করা হয়৷ হেফাজতে থাকাকালীন নিলয়ের ঠিকানায় তার নামে একটি ক্যুরিয়র আসে৷ এই ক্যুরিয়রটি অন্য কাউকে পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নিলয়কে৷ গোয়েন্দারা ধৃতদের বাড়ির দিকেও নজর রেখেছিলেন৷ সেই সূত্রেই ক্যুরিয়রটি বাজেয়াপ্ত করেন গোয়েন্দারা৷ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সেটি পাঠিয়েছিল কমলেশ৷ সেই সূত্র ধরে কমলেশকে জালে পোড়ে গোয়েন্দারা৷

তবে ঠিক সময়ে কমলেশকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন নারকোটিক্স আধিকারিকরা৷ এক আধিকারিকের কথায়, কমলেশ মুম্বই, দিল্লি সহ একাধিক মেট্রোপলিটন শহরে মাদক পাচার করত৷ গোয়েন্দাদের দাবি, জেরায় ধৃত স্বীকার করেছে এই মাদক সে নিয়ে আসত দুবাই, আরবশাহী থেকে৷ তার কাছে মাদকের স্টক থাকত৷

কলকাতায় দুই শাগরেদের ধরা পড়ার খবর পাওয়ার পরই হাতে থাকা মাদক পাচার করে নিজে গা ঢাকা দেওয়ার মতলব এঁটেছিল কমলেশ৷ কিন্তু সেটা হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায় কমলেশ৷ তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে৷ এর আগে গত কয়েকমাসে এনসিবি মাদক পাচার চক্রের একাধিক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।