শ্রীনগর : কাশ্মীরে ধরা পড়ল নারকো টেরর মডিউল। জম্মু কাশ্মীরের বুদগাম জেলা জুড়ে এই মডিউল গড়ে তোলা হয়েছিল বলে খবর। এরই সঙ্গে জড়িত ৬ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের সঙ্গে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রত্যক্ষ যোগ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিষিদ্ধ জইশের সঙ্গে জড়িত এই ছয় ব্যক্তি সেনা বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর ছক কষেছিল বলে খবর।

সোমবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের নারকো টেরর মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ছিল এরা। মাদক পাচার, অস্ত্র পাচার ও জইশকে অর্থ সাহায্য করার কাজ চালাত এই ছয় ব্যক্তি। সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে পাকিস্তানের মাটিতে আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ চালাত।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ, সেনা ও আধা সামরিক বাহিনী যৌথ তল্লাশি চালায়। বুদগাম জেলার চাদোরা এলাকা থেকে এদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম প্রকাশ করেছে পুলিশ। এদের নাম মুদাস্সির ফয়াজ, সাবির গানি, সাগির আহমেদ পোসওয়াল, আসাক ভাট, আরশিদ ঠোকার। ছয় নম্বর ব্যক্তি নাবালক বলে খবর। তার নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে চিনা পিস্তল, হ্যান্ড গ্রেনেড, ১,৫৫০০০ টাকা, ও এক কিলোগ্রাম নারকো হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর।

এদিকে, সোমবারই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসার চেষ্টা বানচাল করল সেনা। তিন জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটানোর চেষ্টা করছিল বলে সেনা সূত্রে খবর। জম্মু কাশ্মীরের নৌসেরা সেক্টরের রাজৌরি জেলার ঘটনা। তিন জঙ্গিকেই নিকেশ করেছে ভারতীয় জওয়ানরা। সেনা জানিয়েছে এই তিন জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ঢোকার চেষ্টা করতেই সেনার নজরে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই ওই তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়।

উল্লেখ্য গত ২৮শে মে থেকে রাজৌরি জুড়ে টহলদারি চালাচ্ছে সেনা। টহলদারি চালানোর সময়েই সীমান্তে অনুপ্রবেশের ঘটনা নজরে আসে। সেনার এক শীর্ষ আধিকারিক জানান পুঞ্চ ও রাজৌরি জুড়ে তল্লাশির মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে চলছে টহলদারি। অন্যদিকে পৃথক ভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে বিএসএফ। পুলিশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জম্মু কাশ্মীরের সাম্বা সেক্টরের হীরানগর এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।