ঢাকা: বিদেশে তথা প্রতিবেশি ভারতে গোপনে ঢুকেও শেষ রক্ষা হয়নি বাংলাদেশের কুখ্যাত ব্যক্তি নূর হোসেনের। ধরা পড়েছিল ইন্টারপোলের হাতে। বহু আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার আসামী ফাঁসির সাজা নিয়ে মামলা চলছে। তবে তার বিরুদ্ধে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার মামলায় আদালত দিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ ছিল আলোড়িত। নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকার সহ সাত জনকে অপহরণ করা হয়। এই ঘটনায় জড়িয়ে যায় ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (ব়্যাব)-১১ বাহিনির কয়েকজন অফিসার। তদন্তে নেমে পুলিশ তিনদিন পর সাত জনেরই মৃতদেহ শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে পায়।

গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিল নূর হোসেন। তার বিরুদ্ধে জারি হয় হুলিয়া। গোপনে ভারতে পালিয়ে যায় নূর হোসেন। পরে তাকে ইন্টারপোল অফিসাররা গ্রেফতার করেন। কলকাতার কাছে বাগুইআটির গোপন ডেরায় নূর ছিল। আইনি প্রক্রিয়ায় ভারত সরকার নূর হোসেন কে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ করে।

আলোচিত নারায়ণগঞ্জের এই সাত খুন মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেনের কাছে থাকা বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র থাকায় মামলা দায়ের করা হয়। নূর হোসেনের একটি রিভলবার ঢাকার মালিবাগ রেললাইন এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত পয়েন্ট ২২ বোরের রাইফেলের কোনও হদিস পাওয়া যায়নি।

এই বেআইনি অস্ত্র মামলায় ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয় আদালতে। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মামলার একমাত্র আসামি নূর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।