কারুর কারুর মহামারীর সময়ে বাড়ি থেকে কাজ করতে গিয়ে কাজের সময় বেড়ে যাচ্ছে। বাড়ির কাজ সামলে অফিস করা ভাবতে সোজা লাগলেও যারা করে তারাই জানে এর আসল জ্বালা। এবার আবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এসে পড়ার কারণে আবার বাড়ছে বাড়ি থেকে কাজ করার চাপ। বহু প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্যে আবার নতুন করে নীতি লাগু করছে এই পরিপ্রেক্ষিতে।

এতে কর্মীরাও একটা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন কাজের ফাঁকে ক্লান্তি লাগলেই একটু-আধটু বিশ্রাম নেওয়ার। কিন্তু সেই বিশ্রামটা যদি পুরোপুরি ঘুম হয়, তা হলে বাড়বে মস্তিষ্কের ক্ষমতা। তা সে ৫ মিনিটের জন্য হলেও হবে। এমনটাই দাবি করছে নতুন একটি গবেষণা।

এই গবেষণার জন্যে বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা করেছেন ও তার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে যারা দুপুরে অল্প হলেও ঘুমান, অন্যদের তুলনায় তাদের মস্তিষ্ক বেশি কাজ করার ক্ষমতা রাখে। স্মৃতিশক্তিও নাকি তাদের এর মাধ্যমে বেড়ে যায় অনেকটা। এমনকি মস্তিষ্কের বার্ধক্যজনিত সমস্যাগুলোও অনেকটা দেরি করে দেখা দিতে থাকে।

আরো পোস্ট- করোনা প্রতিরোধে একটি কার্যকর উপায় জেনে নিন এখুনি

এই সমীক্ষার জন্য ২২১৪ জন নানা বয়সের মানুষকে বেছে নেন ওই বিজ্ঞানীদের দলটি। তাদের মধ্যে ১৫৩৪ জনকে বলা হয় দুপুরে তাদের সময় ও ইচ্ছামতো ঘুমাতে। আর বাকি ৬৮০ জনকে বলা হয় দুপুরে না ঘুমিয়ে একটানা কাজ করে যেতে। দুই দলের মানুষকেই রাতে সাড়ে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমাতে দেওয়ার জন্যে সময় বরাদ্দ করে দেওয়া হয়। যাদের দুপুরে ঘুমাতে দেওয়া হয়েছে, তাদের সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি। কেউ ঘুমিয়েছেন মাত্র ৫ মিনিট, কেউ বা আবার দেড় ঘণ্টা।

এবার সমাধানের আসার জন্যে মাসখানেক পরে এই ২২১৪ জনের ‘মিনি মেন্টাল স্টেট এগজাম’ বা মানসিক অবস্থার পরীক্ষা নেওয়া হয় বিজ্ঞানীদের দ্বারাই। তাতেই দেখা গিয়েছে যে যারা দুপুরে নিয়মিতভাবে ঘুমিয়েছেন তাদের স্মৃতিশক্তি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা, সচেতনতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অন্যদের থেকে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নিজেকে সুস্থ ও চনমনে রাখতে চাইলে আজ থেকেই দুপুরে কাজের মধ্যেও সময় বের করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.