স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২০০৭-এর ১৪ মার্চ। ১৪ জন মানুষের মৃত্যু। কিন্তু, কেমন আছে নন্দীগ্রাম? ১৩ বছর পরে? সেই সময়ের প্রতিবাদীদের চোখে? সেই সময় সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে শাসক দলের অত্যাচার সারা বাংলায় নিন্দিত হয়েছিল। তখনকার রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী যাকে ‘হাড় হিম করা সময়’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।

ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা। ওই সময় নন্দীগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন শাঁওলী মিত্র, অপর্ণা সেন, জয় গোস্বামী, কৌশিক সেন-সহ আরও অনেকেই। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কঠোর নিন্দায় সরব হয়েছিলেন। শাঁওলী মিত্র বলেন, “সেই সময় পর পর কয়েক বার গিয়েছিলাম নন্দীগ্রামে। এখন আর যাওয়া হয় না। তবে শুনেছি সেখানকার মানুষেরা এখন ভালো আছেন। তখন ভয়াবহ সময় ছিল। নিজের চোখে দেখেছি। এমনকী দুষ্কৃতীরা আমাদের উপরে চড়াও হয়েছিল। আজ শুভ পরিবর্তন ঘটেছে বলে আনন্দ হয়।”

সেখানকার মানুষ ভালো থাকলেও শাঁওলী মিত্রের কাছে ১৪ মার্চ কালো দিন হিসেবে চিহ্ণিত হতে থাকবে চিরকাল। এ ব্যাপারে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “১৪ মার্চ আমার কাছে একটা ‘কালো দিন’ হিসাবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ২০০৭-এর ২১ মার্চ আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম নন্দীগ্রামে, সেখানকার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে। প্রচুর সভা করেছি সেখানে।”

শাঁওলী মিত্র আরো বলেন, “তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এর উত্তর জানতে চেয়ে আমরা একটা চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও উত্তর পাইনি। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আমাদের সঙ্গে দেখাও করেননি। পরে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছিলাম। নন্দীগ্রামের মানুষদের জন্য সেই সময়ের বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা কোনও দিন ভোলার নয়।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ